পশ্চিমবঙ্গ ও আসামে একইদিনে বিধানসভা ভোট শুরু হচ্ছে। ৪ এপ্রিল দুটি রাজ্যে প্রথম দফার ভোট। তবে পশ্চিমবঙ্গে ভোট হবে ৬ দফায়, সাত দিনে। এক মাসেরও বেশি সময় ধরে। আর আসামে এক সপ্তাহ ধরে দুই দফায় দুই দিনে ভোট হবে। পশ্চিমবঙ্গে ভোট শেষ হবে ৫ মে, আসামে ১১ এপ্রিল। শুক্রবার নির্বাচন কমিশন এ দুটি রাজ্যসহ ৫টি রাজ্যের নির্বাচনী নির্ঘণ্ট প্রকাশ করেছে।
আসাম ও পশ্চিমবঙ্গ দুটি রাজ্যেই বাংলাদেশের সঙ্গে আন্তর্জাতিক সীমান্ত রয়েছে। তাই বাংলাদেশের ক্ষেত্রে দুটি রাজ্যের ভোট তাৎপযপূর্ণ বলে গণ্য করা হয়। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, আসামে ভোটার সংখ্যা এক কোটি ৯৮ লাখ আর পশ্চিমবঙ্গে ৬ কোটি ৫৫ লাখ। আসামে দু’দফায় দু’দিনের ভোটে ৪ এপ্রিল হবে ৬৫টি বিধানসভা কেন্দ্রে আর ১১ এপ্রিল হবে বাকি ৬১টিতে।
পশ্চিমবঙ্গে প্রথম দফার ভোট আবার দু’দিনে নেওয়া হবে। অন্যান্যবারের ভোটের সঙ্গে এবার এখানেই পার্থক্য। পশ্চিমবঙ্গে প্রথম দফা ভোট হবে মাওবাদী প্রভাবিত জঙ্গলমহলে, অর্থাৎ পুরুলিয়া, বাঁকুড়া ও পশ্চিম মেদেনিপুর জেলায়। ৪ এপ্রিল ১৮টি কেন্দ্রে আর ১১ এপ্রিল ভোট ৩১টি কেন্দ্রে।
নির্বাচন কমিশন আজ জানিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গে শেষদফা ভোট হবে ৫ মে, ২৫টি কেন্দ্রে। এরমধ্যে বাংলাদেশ সীমান্ত সংলগ্ন জেলাগুলোর অন্যতম উত্তরবঙ্গের কুচবিহার জেলাও পড়ছে। কিন্তু সাধারণত কুচবিহার ও উত্তরবঙ্গের অন্য ৫টি জেলার ভোট গোড়ার দিকেই নেওয়া হয়। এবার তার ব্যতিক্রম বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের ব্যাখ্য, গতবছর কুচবিহারের কিছু ছিটমহল বাংলাদেশ থেকে ভারতে চলে এসেছে। সেখানকার বাসিন্দারা যাতে এবার ভোট দিতে পারেন তার ব্যবস্থা করতে সময় লাগবে। তাদের জন্য সচিত্র ভোটার তালিকা তৈরি করছে কমিশন। সেগুলো ভোটারদের মধ্যে বিলি করতে হবে।
কমিশন জানিয়েছে, চারটি বিধানসভা কেন্দ্রে এর প্রভাব পড়বে। এর আওতায় পড়ছেন ১৬ হাজার ভোটার এবং ৪১টি নির্বাচনী কেন্দ্র।
পশ্চিমবঙ্গে দ্বিতীয় দফা ভোট হবে ১৭ এপ্রিল ৫৬টি কেন্দ্রে, তৃতীয় দফা ভোট হবে ২১ এপ্রিল ৬২টি কেন্দ্রে, ৪র্থ দফা ভোট হবে ২৫ এপ্রিল ৪৯টি কেন্দ্রে ও পঞ্চম দফা ভোট হবে ৩০ এপ্রিল ৫৩টি কেন্দ্রে। কলকাতায় ভোট ২১ ও ৩০ এপ্রিল।
পশ্চিমবঙ্গে এবার ত্রিমুখী লড়াই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূলের বিরুদ্ধে একদিকে বামফ্রন্ট তথা সিপিএম-কংগ্রেস জোট, অন্যদিকে বিজেপিও আলাদাভাবে নির্বাচনী লড়াইয়ে সামিল। আসামে লড়াই মূলত তরুণ গোগইয়ের নেতৃত্বাধীন কংগ্রেসের সঙ্গে বিজেপির।
এআইজে





