ইমরান খান ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর পাকিস্তানের নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফকে বুধবার যুক্তরাষ্ট্র অভিনন্দন জানিয়েছে। ইমরান খান তাকে ক্ষমতাচ্যুত করার ষড়যন্ত্রের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের জড়িত থাকার অভিযোগ করেছেন।

অনাস্থা ভোটে হেরে যাওয়ার পর রোববার ইমরান খান প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব ছাড়েন এবং পরের দিন পাকিস্তানের আইনপ্রণেতারা শরিফকে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত করে।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফকে অভিনন্দন জানায় এবং আমরা পাকিস্তান সরকারের সাথে আমাদের দীর্ঘস্থায়ী সহযোগিতা অব্যাহত রাখার জন্য উন্মুখ।’

‘যুক্তরাষ্ট্র একটি শক্তিশালী, সমৃদ্ধশালী এবং গণতান্ত্রিক পাকিস্তানকে আমাদের উভয় দেশের স্বার্থের জন্য অপরিহার্য মনে করে।’

পাকিস্তানের গণতন্ত্রের ইতিহাসে গত ৭৫ বছরে কোনো প্রধানমন্ত্রী পূর্ণ মেয়াদে দায়িত্ব পালন করতে পারেননি, তবে প্রথম ইমরান খান অনাস্থা ভোটে হেরে প্রধানমন্ত্রিত্ব হারান। যে প্রক্রিয়ায় মধ্যরাতে সুপ্রিম কোর্ট বসিয়ে তাকে পদচ্যুত করার ব্যবস্থা করা হয়েছে - তিনি একে ভালোভাবে নেননি।

পদত্যাগের পরপরই ইমরান খান জনগণকে এর প্রতিবাদে রাস্তায় নামার আহ্বান জানান। ইমরানের আহ্বানে পাকিস্তান জুড়ে বিক্ষোভ করছেন তার সমর্থকরা।

পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারানোর পর ক্ষমতায় থাকার জন্য পার্লামেন্ট ভেঙ্গে দেয়া এবং নতুন নির্বাচনের ডাক দেয়াসহ সব চেষ্টা করেছিলেন ইমরান খান।

কিন্তু সুপ্রিম কোর্ট তার সমস্ত উদ্যোগকে বেআইনি ঘাষণা করে এবং পার্লামেন্ট বসে ভোট দেয়ার ব্যবস্থা করে। তথ্যসূত্র : বাসস।

এবিএস