আফ্রিকার দেশ তানজানিয়ার প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট হিসেবে শুক্রবার শপথ নিয়েছেন সামিয়া সুলুহু হাসান।
সংবিধান অনুসারে আগামী পাঁচ বছর তিনি এই দায়িত্ব পালন করে যাবেন।
শুক্রবার (১৯ মার্চ) রাজধানী দারুস সালামে শপথ অনুষ্ঠানে সামিয়া বলেন, আমি সামিয়া সুলুহু হাসান সততার সঙ্গে তানজানিয়ার সংবিধান রক্ষা ও মেনে চলার অঙ্গীকার ব্যক্ত করছি।
এর আগে অসুস্থতার কারণে তার পূর্বসূরি তানজানিয়ার প্রেসিডেন্ট জন মাগুফুলি মারা গেছেন। যদিও তার মৃত্যু নিয়ে ঘনীভূত রহস্য রয়েছে।
২০১৫ সাল থেকে দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন সামিয়া সুলুহু হাসান। ৬১ বছর বসয়ী এই নারীকে মানুষ ভালোবেসে মামা সামিয়া নামে ডাকেন। ২০০০ সালে তিনি প্রথম আইনপ্রণেতা হিসেবে নির্বাচিত হন। ২০১৪ সালে সাংবিধানিক পরিষদের ভাইস-চেয়ারপারসন হিসেবে প্রথম আলোচনায় আসেন সামিয়া।
আধা-স্বায়ত্তশাসিত দ্বীপ জানজাবির থেকে আসা সামিয়া তার ২০ বছরের রাজনৈতিক জীবনে স্থানীয় সরকার থেকে শুরু করে জাতীয় পরিষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
দেশটির মাকামবা নামের এক এমপি বলেন, রাজনৈতিক নেতা হিসেবে সামিয়া দেশ পরিচালনায় যোগ্য। তিনি তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত নিতে পারেন এবং শান্ত মেজাজের।
ইথিওপিয়ার প্রেসিডেন্ট সাহলি-ওয়ার্ক জাওডির পরে তিনি আফ্রিকার দ্বিতীয় নারী রাষ্ট্রপ্রধান।
গত বুধবার (১৭ মার্চ) আফ্রিকার দেশ তানজানিয়ার প্রেসিডেন্ট জন মাগুফুলি মারা যান। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬১ বছর। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের দেওয়া এক ভাষণে দেশটির নারী ভাইস প্রেসিডেন্ট সামিয়া সুলুহু হাসান বলেন, হৃদযন্ত্রের জটিলতায় বুধবার (১৭ মার্চ) দার-ইস-সালাম হাসপাতালে মারা যান।
বিবিসি জানিয়েছে, দু’সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে মাগুফুলিকে জনসমক্ষে দেখা যায়নি এবং তার স্বাস্থ্য নিয়ে গুজবও ছড়িয়ে পড়ে।
এমবি





