ক্রাইস্টচার্চ হামলায় ব্যবহৃত আধা-স্বয়ংক্রিয় সব ধরনের অস্ত্র নিষিদ্ধ করার ঘোষণা দিয়েছেন নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জাসিন্ডা আরডার্ন।

সন্ত্রাসী ব্রেন্টন টারান্ট সামরিক বাহিনীর ব্যবহৃত সেমি অটোমেটিক এবং অ্যাসাল্ট রাইফেল দিয়ে ওই হামলা চালিয়েছিলেন।

১৫ মার্চ শুক্রবার ক্রাইস্টচার্চে জুমার নামাজ পড়তে আসা মুসল্লিদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায় সন্ত্রাসী ব্রেন্টন। এতে ৫০ জন নিহত এবং বেশ কয়েকজন আহত হন। এ ঘটনার পরই দেশটির অস্ত্র আইন পরিবর্তনের ঘোষণা দিয়েছিলেন আর্ডার্ন।

বৃহস্পতিবার আর্ডার্ন আশা করছেন যে, আগামী ১১ এপ্রিলের মধ্যে নিউজিল্যান্ডের অস্ত্র আইন পরিবর্তন সম্ভব হবে। এবং তারপর নিষিদ্ধ অস্ত্র ফেরত দিয়ে অন্য অস্ত্র গ্রহণের প্রকল্প প্রতিষ্ঠিত হবে।

আর্ডার্ন বলেন, এখন, হামলার ছয় দিন পর আমরা সামরিক ধরনের সেমি অটোমেটিকস ও অ্যাসাল্ট রাইফেল নিউজিল্যান্ডে নিষিদ্ধের ঘোষণা দিচ্ছি। এছাড়া এই অস্ত্রের বিভিন্ন অংশ বিক্রি ও উন্নতমানের ম্যাগজিনও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

শুক্রবারের হামলায় নিহত ৫০ জনের ৪৪ জনকে ক্রাইস্টচার্চ মেমোরিয়াল পার্ক কবরস্থানে দাফন করবে নিউজিল্যান্ড। বুধবার ছয়জনকে সেখানে দাফন করা হয়েছে। এছাড়া বাকি ছয়জনের মৃতদেহ তাদের দেশে হস্তান্তর করা হবে।

হামলার ঘটনার পর থেকেই বেশ তৎপর রয়েছেন প্র্রধানমন্ত্রী আর্ডার্ন। এছাড়া ওই সন্ত্রাসীকে সর্বোচ্চ শাস্তি ভোগ করতে হবে বলে জানিয়েছেন আর্ডার্ন। আগামী ৫ এপ্রিল পর্যন্ত সন্ত্রাসী ব্রেন্টনকে রিমান্ড দিয়েছে আদালত। ৫ এপ্রিল আবারও তাকে আদালতে হাজির করা হবে।খবর রয়টার্সের। 

 

এএস