১৭০ কোটি ডলারের চুক্তি সই করেছে পাকিস্তান ও রাশিয়া। তরল প্রাকৃতিক জ্বালানি বা এলএনজি করাচি থেকে লাহোরে নেয়ার জন্য এই চুক্তি করা হয়। সামরিক শাসনের দীর্ঘ সময় পর এই চুক্তি হল রাশিয়ার সাথে। সামরিক শাসনের আগে রাশিয়ার সাথে শেষ চুক্তি হয়।
পাকিস্তানের একটি সরকারি সূত্র বলেছে, জ্বালানি খাতে চীন ও রাশিয়ার উপস্থিতি দেশটিতে নতুন সম্ভাবনার সূচনা করবে এবং এ খাতে আরো বিনিয়োগ আকৃষ্ট হবে।
আগামী বছরের মার্চের মধ্যেই এ পাইপলাইনের মধ্য দিয়ে এলএনজি সরবরাহ শুরু হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। আমদানি করা এলএনজি করাচি থেকে পাঞ্জাবে আনার জন্য এই পাইপলাইন ব্যবহার হবে। এ লক্ষ্যে করাচি বন্দরে এনএনজি টার্মিনাল তৈরির কাজও এগিয়ে চলেছে।
অবশ্য কয়েক দশকের মধ্যে এই প্রথম জ্বালানি সরবরাহের লক্ষ্যে পাইপলাইন বসানোর চুক্তি সই করল ইসলামাবাদ ও মস্কো।
নভেম্বরে রুশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী সের্গেই শোইগু’এর পাকিস্তান সফরের সময়ে দুই দেশ 'মাইলফলক'প্রতিরক্ষা ও সামরিক চুক্তি সই করে। জেনারেল জিয়াউল হকের সামরিক শাসনের আগে করাচির ইস্পাত কারখানা স্থাপনে সহায়তা যুগিয়েছিল রাশিয়া।
এ ছাড়া, সমগ্র পাকিস্তানে তেল ও গ্যাস অনুসন্ধান তৎপরতায়ও ব্যাপক সহায়তা করেছে রাশিয়া। এখনো পাকিস্তানের এ খাতে পুরোনো রুশ যন্ত্রপাতিই ব্যবহৃত হচ্ছে।
ইআর





