রোববার নির্বাচনের পর সোমবার ফল ঘোষণার কথা থাকলেও নানা নাটকীয়তায় তা এখনো শেষ হয়নি। এর মধ্যে তিন দিন চুপচাপ থেকে অবশেষে অং সান সু চির দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসিকে (এনএলডি) অভিনন্দন জানালেন মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট থেইন সেইন।
বুধবার বিবিসি অনলাইনের এক খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এদিকে তিন দিন শেষে ৪০ শতাংশের মতো আসনের ফল ঘোষণা করা হয়েছে। এসব আসনের ৯০ শতাংশ ভোট পেয়েছে এনএলডি।
অন্যদিকে বিজয় নিশ্চিত হয়ে প্রেসিডেন্ট থেইন সেইন ও সেনাপ্রধানের কাছে চিঠি লিখেছেন সু চি। জাতীয় ঐক্যের বিষয়ে আলোচনার বসার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। তবে এনএলডির মুখপাত্র ইউ ইয়ে জানিয়েছেন, এ ধরনের আলোচনা হওয়ার আগে অবশ্যই ভোটের পূর্ণাঙ্গ ফল ঘোষণা করতে হবে।
এদিকে নির্বাচনে ‘ভূমিধস জয়’ হলেও দেখেশুনে ধৈর্য্য নিয়ে এগোচ্ছেন সু চি। কারণ ১৯৯০ সালের সাধারণ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার পরও তার দলকে ক্ষমতা দেওয়া হয়নি এবং তাকে দীর্ঘদিন বিভিন্ন কায়দায় বন্দি রাখা হয়।
এদিকে পাঁচ বছর আগে অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচন এনএলডি প্রত্যাখ্যান করায় একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় যায় সামরিক বাহিনীর সমর্থনপুষ্ঠ ইউনিয়ন সলিডিটারিটি ডেভেলপমেন্ট পার্টি। কিন্তু এবার তারা ৫ শতাংশের বেশি আসন পাবে না বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে পার্লামেন্টের মোট আসনের মধ্যে এক-চতুর্থাংশ আসন সেনা সদস্যদের জন্য সংরক্ষিত রয়েছে।
এখন দেখার বিষয়, মিয়ানমারের ক্ষমতার পালাবদল কীভাবে হয়। এখনো প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে, সু চির দল বা সু চি কি সত্যিকারের ক্ষমতা পাচ্ছে- না কি ২৫ বছর আগের অবস্থার পুনরাবৃত্তি হতে যাচ্ছে।
এমকে





