ভুয়া ‘বন্দুকযুদ্ধে’ তিন কলেজশিক্ষার্থী হত্যার দায়ে পুলিশের এক কর্মকর্তাকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন ভারতের পাটনার একটি আদালত।
টাইমস অব ইন্ডিয়া অনলাইনের প্রতিবেদনে জানানো হয়, ২০০২ সালের ওই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গতকাল মঙ্গলবার এ রায় দেন পাটনার আদালত।
এই হত্যাকাণ্ডে সহায়তা করার দায়ে পুলিশের এক কনস্টেবলসহ ছয় ব্যবসায়ীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়েছে।
মৃত্যুদণ্ডাদেশ পাওয়া পুলিশের ওই কর্মকর্তার নাম শামস আলম। তিনি শাস্ত্রীনগর পুলিশের স্টেশন হাউস অফিসার ছিলেন।
২০০২ সালের ২৮ নভেম্বর কলেজশিক্ষার্থী বিকাশ রঞ্জন, প্রশান্ত ও হিমাংশু যাদব পুলিশের সঙ্গে ভুয়া ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হন। তাঁরা তিনজন বন্ধু ছিলেন।
পুলিশ দাবি করে, ওই তিনজন এক ভয়ংকর সন্ত্রাসীর সহযোগী ছিলেন। একটি বিপণিবিতানে ডাকাতি করার সময় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ তাঁরা নিহত হন।
আইনজীবীরা জানান, ঘটনার দিন ফোনকলের টাকা পরিশোধ নিয়ে টেলিফোন বুথ মালিক কমলেশের সঙ্গে বিকাশের বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে তিনি চলে যান। বিবাদের সুরাহা করতে পরে বিকাশ তাঁর তিন বন্ধুকে নিয়ে আবার ঘটনাস্থলে যান।
কমলেশ ও অপর পাঁচজন মিলে ওই তিনজনকে ধরে বিপণিবিতানের ভেতরে আটকে রাখেন। তাঁদের বেদম মারধর করা হয়। এরপর পুলিশের কাছে তুলে দেওয়া হয়। এর কিছুক্ষণ পর ওই তিন শিক্ষার্থীকে পুলিশ গুলি করে হত্যা করে। এ নিয়ে সমালোচনার ঝড় ওঠে।
মামলাটি সিবিআইকে দেওয়া হয়। তদন্তে দেখা যায়, বিকাশ সন্ত্রাসী ছিলেন না। তিনি ও তাঁর দুই বন্ধু কলেজ শিক্ষার্থী ছিলেন।
ঢাকা, ২৫ জুন(টাইমনিউজবিডি.কম)//এনএস





