ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্সিয়া স্টিফেনস ব্লুম বার্নিকাট বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যে জিএসপি সুবিধা বন্ধ রাজনৈতিক ছিল না।

তবে কী কারণে এটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, তা খুঁজে বের করা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের নতুন সরকার দায়িত্বভার নেওয়ার পর এর সমাধান হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

গতকাল রোববার বিকালে সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে ‘বাংলাদেশে জিএসপি সুবিধা বন্ধ রাজনৈতিক ছিল’ বাণিজ্যমন্ত্রীর এমন বক্তব্যের জবাবে বার্নিকাট এসব কথা বলেন।

এ সময় বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নতুন সরকার দায়িত্বভার নিলে আমরা জিএসপি সুবিধা পাব বলে আশা করছি। যদিও এ সুবিধা পেলে বাংলাদেশ খুব বেশি লাভবান হবে তা নয়, তবে এটি সম্মানজনক।

তোফায়েল আহমেদ বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সরকার পরিবর্তন হলেও নীতির পরিবর্তন হবে না। যদিও নতুন সরকার এলে সেই সরকারের নীতি কেমন হবে, এ নিয়ে চাপ থাকে। কিন্তু আমরা আশা করি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আগের তুলনায় ব্যবসা ভালো হবে। বাংলাদেশ এখন প্রতিবছর দুই বিলিয়ন মূল্যের পণ্য রপ্তানি করে। আশা করি এর পরিমাণ বাড়বে।

টিকফা বৈঠক বিষয়ে বার্নিকাট বলেন, ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিতব্য টিকফা বৈঠক হচ্ছে না। কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, এই সময় নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণে ব্যস্ত থাকবেন। তা ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রে বাণিজ্য প্রতিনিধি (ইউএসটিআর) মন্ত্রী পদমর্যাদার। প্রেসিডেন্ট পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে ইউএসটিআরেরও পরির্বতন হয়। নতুন ইউএসটিআর নির্বাচিত হওয়ার পর আগামী বছর মার্চ-এপ্রিলের দিকে টিকফা বৈঠক হবে।


এমএনজে