চলতি সপ্তাহে তেহরান বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়নের পর বিধ্বস্ত হওয়া ইউক্রেনের বিমানটি ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতেই ভূপাতিত হয়েছিল।

শনিবার ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে সম্প্রচারিত এক খবরে এমন দাবি করা হয়েছে। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাভেদ জারিফ এক টুইট বার্তায় বলেন, মার্কিন নেতৃত্বাধীন সংকটের কারণে মানবিক ভুলে এই বিপর্যয় ঘটেছে।

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে তেহরানের ইমাম খামেনি বিমান বন্দর থেকে উড্ডয়নের পর ১৭৬ জন যাত্রী নিয়ে বিধ্বস্ত হয় ইউক্রেনগামী বোয়িং-৭৩৭ বিমান পিএস৭৫২। এমন কথা স্বীকার করে নিয়েছ ইরানের সেনাবাহিনী। খবর বিবিসি'র।

শনিবার দেয়া এক বিবৃতিতে ইরান সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হয়, অনিচ্ছাকৃতভাবে ইউক্রেনের ওই বিমানটিকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয় । এটিকে মানবীয় ভুল বলেও ব্যাখ্যা দিয়েছে ইরান। তবে ইরানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে এই ভুলের পেছনে যারা দায়ী তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

এদিকে কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো বলেছেন, তার কাছে বেশ কিছু গোয়েন্দা সূত্রের তথ্য রয়েছে, যাতে এই আভাস দিচ্ছে যে তেহরান থেকে উড্ডয়নের পরেই ইউক্রেনের বিমানটিকে গুলি করে ভূপাতিত করেছে ইরান। এতে বিমানটিতে থাকা ১৭৬ যাত্রী নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ৬৩ কানাডীয় নাগরিকও রয়েছেন।-খবর এএফপি ও রয়টার্সের

গত বুধবার ৮ জানুয়ারি ইরানের খামিনি বিমানবন্দর থেকে ইউক্রেনগামী বিমান উড্ডয়নের সঙ্গে সঙ্গেই বিধ্বস্ত হয় ইউক্রেনের পিএস৭৫২ বিমানটি। এতে বিমানের ১৭৬ যাত্রী ও ক্রুর সবাই প্রাণ হারান। তাদের মধ্যে ইরানের ৮২, কানাডার ৬৩, ইউক্রেনের ১১, সুইডেনের ১০, চারজন আফগানিস্তান, তিনজন জার্মানি এবং অপর তিনজন ব্রিটিশ নাগরিক ছিলেন।

বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনায় কানাডা, যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা বিশ্ব ইরানকে দায়ী করে। তবে ইরানের দাবি ছিল, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণেই ইউক্রেনের বিমানটি বিধ্বস্ত হয়।

এএস