শিশুর কান্না থামাতে মা কী না করেন। মাঝে মাঝে তো পরিবারের সকল সদস্যকেই হিমশিম খেতে হচ্ছে এ কান্না থামাতে। অথচ সেই কান্নাতেই আসবে পুরস্কার, বেশি জোরে কান্নাকারীই হবে সেরা! অবাক হলেও সত্য, জাপানে প্রতিবছর নিয়মিত আয়োজিত হয় শিশুদের কান্না প্রতিযোগিতার।
চলতি বছরের ২৬ এপ্রিল টোকিও’র সেনসুজি মন্দিরে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ‘নাকি সুমো’ নামের ওই প্রতিযোগিতাতে মায়েরা উপস্থিত থাকলেও তাদের সন্তানরা কিন্তু থাকে সুমো কুস্তিগীরদের হাতে। সঙ্গে থাকেন প্রধান ধর্মীয় যাজকও। তাদের উদ্দেশ্য একটাই, শিশুকে যত জোরে সম্ভব কান্না করানো!
এবারের প্রতিযোগিতায় কুস্তিগীররা ৮০ শিশুকে কাঁদিয়েছেন বলে জানিয়েছে দ্য টেলিগ্রাফ। এই শিশুদের প্রত্যেকেরই বয়স এক বছরের নিচে।
আয়োজকদের ধারণা, এভাবে কান্না করানো হলে শিশুদের স্বাস্থ্য ভালো থাকে।
তবে মায়েদের ধারণা কিন্তু শুধু ভালো স্বাস্থ্যই বরং এই শিশুদের ভবিষ্যৎও অনেক সুন্দর হবে। পাশাপাশি এটা শিশুদের কাছ থেকে ‘শয়তান’কে দূর করে দেয় বিশ্বাসে দীর্ঘ ৪০০ বছর ধরে বিভিন্নভাবে এ প্রতিযোগিতা আয়োজিত হচ্ছে।
[b]ঢাকা, ৩০ এপ্রিল (টাইমনিউজবিডি.কম)// এসএইচ[/b]
আন্তর্জাতিক
শিশুদের কান্না এনে দিবে পুরস্কার
শিশুর কান্না থামাতে মা কী না করেন। মাঝে মাঝে তো পরিবারের সকল সদস্যকেই হিমশিম খেতে হচ্ছে এ কান্না থামাতে। অথচ সেই কান্নাতেই আসবে পুরস্কার, বেশি জোরে কান্নাকারীই হবে সেরা! অবাক হলেও সত্য, জাপানে প্রতিবছর





