রোহিঙ্গাদের জরুরি মানবিক সহায়তা হিসেবে যৌথভাবে ৯৫ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার সহায়তা দেয়ার পরিকল্পনা করেছে জাতিসংঘের সংস্থাসমূহ এবং আন্তর্জাতিক এনজিওগুলো।
মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর বর্বরতার মুখে এ পর্যন্ত বাংলাদেশে পালিয়ে আসা প্রায় নয় লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীর মধ্যে তিন লাখ ৩০ হাজারের বেশি রোহিঙ্গার অবস্থা বর্তমানে করুণ। এই অর্থ রোহিঙ্গাদের জরুরি চাহিদা পূরণে ব্যয় করা হবে।
গত বছর কয়েক মাসের ব্যবধানে প্রতিবেশী দেশ মিয়ানমার থেকে রোহিঙ্গাদের একটি বড় অংশ বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। এটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় শরণার্থী সংকট। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে।
রিপোর্টে বলা হয়েছে, মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর পরিকল্পিত নির্যাতনের মুখে রোহিঙ্গারা সাগর ও স্থলপথে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশে ঢুকে পড়ে।
এদের মধ্যে ২০১৭ সালের আগস্ট থেকে প্রায় ৬ লাখ ৭১ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে কক্সবাজারের টেকনাফে আশ্রয় নেয়। রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের ভূমিকাও প্রশংসনীয় বলে রিপোর্র্টে উল্লেখ করা হয়।
শরণার্থী বিষয়ক জাতিসংঘের হাইকমিশনার ফিলিপো গ্র্যান্ডি, আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার মহাপরিচালক উইলিয়াম সুইং এবং বাংলাদেশে জাতিসংঘের আসাসিক সমন্বয়কারী মিয়া সেপো শুক্রবার ২০১৮ সালের এই যৌথ মানবিক সহায়তা প্রয়োজনীয়তার বিষয়ে একমত হন।
প্রতিবেদনে এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করার পাশাপাশি শতাধিক জাতিসংঘ সংস্থা ও আন্তর্জাতিক বেসরকারি সাহায্য সংস্থাকে অন্তর্ভুক্ত করার কথা বলা হয়েছে।
এমআর





