পশ্চিমারা যদি সিরিয়ার পশ্চিমাঞ্চলে হামলা অব্যাহত রাখে তাহলে তা বিশ্বাঙ্গনে নৈরাজ্য সৃষ্টি করবে বলে হুশিয়ারি দেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ।
গতকাল রোববার এই হুশিয়ারি দেন তিনি। এদিকে ওয়াশিংটন রাশিয়ার সাথে অথনৈতিক চাপ বাড়াতে প্রস্তুত বলেও জানা গেছে। সোমবার এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
সিরিয়ার চলমান পরিস্থিতি নিয়ে পুতিন ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানির সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন। দুই নেতার টেলিফোন আলাপ নিয়ে পরে বিবৃতি দিয়েছে ক্রেমলিন।
বিবৃতিতে বলা হয়, পুতিন ও রুহানি এ বিষয়ে একমত হয়েছেন যে সিরিয়ায় সাত বছর ধরে চলমান সংঘাতের রাজনৈতিক সমাধান অর্জনের সুযোগ পশ্চিমা হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
পুতিন বিশেষ করে জোর দিয়ে বলেছেন, জাতিসংঘ সদন লঙ্ঘন করে পশ্চিমাদের এই ধরনের পদক্ষেপ (সিরিয়ায় হামলা) যদি অব্যাহত থাকে, তাহলে তা অনিবার্যভাবে আন্তর্জাতিক সম্পর্কে নৈরাজ্য সৃষ্টি করবে।
মস্কোর ওপর চাপ বাড়াতে ওয়াশিংটন প্রস্তুত রয়েছে। এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে রাশিয়ার ওপর নতুন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা দিতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। আজ এই নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা আসতে পারে।
সিরিয়ায় প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের বাহিনীর বিরুদ্ধে রাসায়নিক অস্ত্র হামলার অভিযোগ তুলে গত শুক্রবার রাতে দেশটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স।
পেন্টাগনের দাবি, সিরিয়ার রাসায়নিক অস্ত্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট তিনটি স্থান লক্ষ্য করে ১০৫টি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়।রাসায়নিক আক্রমণের অভিযোগ পশ্চিমাদের "প্ররোচনামূলক" আচরণ বলে দাবী করেছে রাশিয়া।
রাশিয়ার শীর্ষ কর্মকর্তারা সতর্ক করেছেন যে সিরিয়ায় রুশ বাহিনীর ওপর মিসাইল হামলা করা হলে তা প্রতিহত করা হবে এবং পাল্টা আক্রমণও করা হতে পারে।
প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বুধবার আশা প্রকাশ করেন যে শীঘ্রই এই অস্থির অবস্থার উন্নতি হবে।
এদিকে সিরিয়ার ডুমায় রাসায়নিক হামলার অভিযোগ ওঠার বিষয়টিকে যুক্তরাষ্ট্র "খুব্ গুরুত্বের সাথে" দেখছে বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
শাহরিয়ার/কেবি





