শীতে বরফে জমে যাওয়া এক নারীকে উদ্ধার করতে ছুটল পুলিশ। তড়িঘড়ি গিয়ে গাড়ির একাংশ ভাঙল। এরপর ‘থ’বনে গেল। কারণ, আসনে সিট বেল্ট বেঁধে যিনি বসে আছেন, তিনি জীবন্ত কেউ নন।
পরনে সাধারণ পোশাক। চোখে চশমা। পায়ে জুতা। দাঁত ও ত্বকেও দাগ রয়েছে। যেমন বৃদ্ধাদের থাকে। মুখে অক্সিজেন মাস্ক লাগানো। চট করে দেখলে বোঝার উপায় নেই যে তিনি মানুষ নন। মানুষের মূর্তি। আসলে একটি ম্যানিকিন।
বিবিসিতে স্থানীয় গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে এক খবরে বলা হয়, গত শুক্রবার সকালে পুলিশকে ফোন করেন একজন ব্যক্তি। উদ্বিগ্ন গলায় তিনি বলেন, হাডসন এলাকায় পার্ক করে রাখা একটি গাড়িতে এক নারী জমে বরফ হয়ে গেছেন। তিনি প্রায় মরতে বসেছেন। পুলিশ কর্মকর্তারা সেখানে ছুটে যান। গাড়ির একাংশ ভেঙে বোকা বনে যান।
পুলিশ বলছে, গাড়িটি বরফে ঢাকা ছিল। মাইনাস ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় গাড়িটিকে রাতভর ফেলে রাখা হয়েছিল। ম্যানিকিনটিও দেখতে একদম সত্যিকারের মানুষের মতো ছিল।
ম্যানিকিনের মালিক বলছেন, চিকিৎসাবিজ্ঞানের প্রশিক্ষণের অংশ হিসেবে তিনি সেটি ব্যবহার করেন।
পরে জানা যায়, ম্যানিকিনের মালিকই পুলিশ স্টেশনে ফোন করে অভিযোগ জানিয়েছিলেন। পুলিশপ্রধান এল এডওয়ার্ড মুর এক বিবৃতিতে বলেন, ‘আমরা যে এ ধরনের পদক্ষেপ নেব, তা ম্যানিকিনের মালিক বুঝতে পারেননি। তিনি পুলিশ সার্জেন্টের সঙ্গে দুর্ব্যবহারও করেছেন। তাঁর বিরুদ্ধে আমরা পদক্ষেপ নিচ্ছি।’
এ ঘটনার পর পুলিশপ্রধান মুর ম্যানিকিন মালিকদের সতর্কবার্তা দিয়েছেন। সেখানে বলা হয়েছে, যদি কেউ রাতের অন্ধকারে হাডসনের রাস্তায় গাড়ি পার্ক করে ভেতরে ম্যানিকিন বসিয়ে রাখে, তাহলে গাড়ির জানালা ভেঙে দেওয়া হবে।
এমই





