ভারতের দিল্লিতে গরুর গোশত বহনের সন্দেহে মাদ্রাসা শিক্ষক ও অটো রিকশা চালককে গণপিটুনি দিয়ে গুরুতর জখম করেছে গো-রক্ষকরা।তাদেরকে লাঠি এবং লোহার রড দিয়ে পেটানো হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।

গতকাল (শুক্রবার) গণমাধ্যমে বলা হয়েছে, হাফিজ আব্দুল খালিদ (২৫) এবং আলী হাসান (৩৫) নামে গুরুতর আহত ওই দু’জনকে হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়েছে। হাফিজ আব্দুল খালিদ প্রেমনগরে অবস্থিত একটি মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করেন।

ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেয়া কুরবানির বর্জ্য বুধবার দুপুরে একটি গাড়িতে নিয়ে ফেলতে যাচ্ছিলেন আব্দুল খালিদরা। এ সময় অন্য একটি গাড়ি ওভারটেক করে তাদের গাড়ি থামায়।

এদের মধ্যে একজন ফোন করে অন্যদের ডেকে নেয় এবং অন্যজন তাদের মারধর করে। কিছুক্ষণের মধ্যে কমপক্ষে ২৫ জন ব্যক্তি ঘটনাস্থলে পৌঁছে গণপিটুনি দিয়ে গুরুতর জখম করে পালিয়ে যায়।

তাঁদের কাছে গরুর গোশত রয়েছে এমন সন্দেহে হাফিজ আব্দুল খালিদ এবং আলী হাসানকে ব্যাপক মারধর করা হয়।

আলী হাসানের সঙ্গে ১৪ বছরের একটি ছেলেও ছিল সে ই পালিয়ে গিয়ে বাড়িতে খবর দেয়। পরবর্তীটিতে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায় যদিও তার আগেই পালিয়ে যায় ওই দুর্বৃত্তরা। পুলিশ আহত ওই দু’জনকে হাসপাতালে ভর্তি করে।

মাদ্রাসা শিক্ষকের উপরে আক্রমণের খবরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠায় সংশ্লিষ্ট এলাকায় প্রচুর পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

পুলিশ এ ব্যাপারে নবীন, রাজু, দেবেশ এবং অভিষেক নামে ৪ যুবককে গ্রেফতার করেছে। পুলিশ কর্মকর্তা বিক্রমজিৎ সিং বলেন, অন্য অভিযুক্তদের চিহ্নিত করে তাদের গ্রেফতার করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

এসএম