ভারতের উত্তরাঞ্চলে ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে রোববার অন্তত ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। বৃষ্টিপাতে অঞ্চলটির বেশ কয়েকটি স্থানের বিপুল পরিমাণ শস্য নষ্ট হয়েছে।
কর্মকর্তারা জানান, রাজস্থানে গত ৩৬ ঘণ্টায় প্রবল বর্ষণ, বজ্রপাত ও শিলাবৃষ্টিতে ১২ জন মারা গেছে। প্রাকৃতিক এই দুর্যোগে রাজ্যের রবি শস্যের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
গতকাল জম্মু ও কাশ্মিরে প্রবল বর্ষণে সৃষ্ট ভূমিধস ও তুষারধসে ৩ জনের প্রাণহানি ও ৪ জন আহত হয়েছে।
কাশ্মির উপত্যকার বৃষ্টিপাত ও নতুন করে তুষারপাতের কারণে তুষারধস ও ভূমিধস হয়। বৈরী আবহাওয়ায় জম্মুর কোন কোন এলাকার জীবনযাত্রা স্থবির হয়ে পড়ে।
বৃষ্টিপাতের পর নয়াদিল্লীতে রোববার অসময়োচিত শৈত্যপ্রবাহ বয়ে গেছে। শহরটির তাপমাত্রার স্বাভাবিকের চেয়ে ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস হ্রাস পেয়ে ১৯.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে দাঁড়ায়।
হিমাচল প্রদেশের উঁচু উপজাতীয় এলাকাগুলোতে নতুন করে তুষারপাত হয়। মধ্য ও নিম্নাঞ্চলীয় পাহাড়ি এলাকায় বৃষ্টিপাতের খবর পাওয়া গেছে।
রোহতাং ও কুঞ্জাম পাস (গিরিপথ) , পিন পার্বতী ভ্যালি এবং চিতকুল ও অন্যান্য উঁচু উপজাতীয় এলাকাগুলোতে ১০ সেন্টিমিটার থেকে ২০ সেন্টিমিটার তুষার জমেছে। কেলং ও কল্পায় ২ থেকে ৩ সেন্টিমিটার তুষারপাত হয়।
উত্তর প্রদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অসময়ের বৃষ্টি ও শিলাবৃষ্টি হয়েছে। এক সপ্তাহের বিরতি দিয়ে আগ্রা, চিত্রকুট, কানপুর, মিরাট ও বেরিলি বিভাগে বৃষ্টি ও শিলাবৃষ্টি হয়েছে। এতে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
বৃষ্টি ও শিলাবৃষ্টিতে আগ্রা, ফিরোজাবাদ,মথুরা, কানপুর, ফারুখাবাদ ও এর পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোতে গম, সরিষা ও আলু ক্ষেতের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। আবহাওয়াবিদদের ভাষ্য অনুযায়ী, আজও বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে।
এমএ





