উত্তর কোরিয়া আজ রোববার হাইড্রোজেন বোমার সফল পরীক্ষা চালানোর ঘোষণা দিয়েছে।

এর আগে জাপান বলেছিল, উত্তর কোরিয়ায় আজ রোববার যে দু’দফা ভূকম্পন দেখা দিয়েছে তা পরমাণু বোমা পরীক্ষার ফলেই হয়েছে। এদিকে আজ আরো পরে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দেয়া হবে জানিয়েছিল পিয়ংইয়ং।

অত্যাধুনিক হাইড্রোজেন বোমা তৈরির করা হয়েছে এবং পিয়ংইয়ংয়ের নতুন আন্তমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র বা আইসিবিএমে এটি বসানো যাবে বলে উত্তর কোরিয়া ঘোষণা দেয়ার পরই এ ভূকম্পন অনুভূত হয়।

মার্কিন ভূতত্ত্ব বিভাগ বা ইউএসজিএস বলেছে, ভূকম্পনের মাত্রা রিখটার স্কেলে ৬.৩ ছিল এবং এটি ভূপৃষ্ঠের ১০ কিলোমিটার নিচে ঘটেছে। ভূকম্পনের কেন্দ্রস্থল উত্তর কোরিয়ার সুংজিবেগামের ২৪ কিলোমিটার উত্তরপূর্বে ছিল বলেও জানানো হয়েছে।

এদিকে চীন বলেছে, প্রথম ভূকম্পনের পরই অনেকগুলো ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ভূকম্পন হয়েছে বলে টের পাওয়া গেছে। এগুলো মাত্রা ৪. ৬ ছিল এবং ভূপৃষ্ঠ থেকে এগুলোর উৎপত্তি হয়েছে।

দক্ষিণ কোরিয়া বলেছে, পরমাণু বোমা পরীক্ষার কারণে এমন ভূকম্পন ঘটতে পারে। কিন্তু পরমাণু বোমা পরীক্ষা ফলে এসগুলো সৃষ্টি হয়েছে নিশ্চয়তা দিয়ে বলেছে জাপান।

জাপানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী তাও কোনো বলেছেন, পরমাণু বোমা পরীক্ষার ফলে এসব ভূমিকম্প দেখা দিয়েছে বলে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়েছে   টোকিও। জাপানি জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সঙ্গে বৈঠকের পর এক ব্রিফ্রিংয়ে এ কথা বলেন তিনি।

এদিকে, জাপানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ে বলেছে, বিকিরণ মাত্রা নির্ণয়ের জন্য অন্তত কয়েকটি ঘাঁটি থেকে তিন জঙ্গিবিমান পাঠানো হয়েছে।

এদিকে, উত্তর কোরিয়া বলেছ, আজ আরো বলে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দেয়া হবে। উত্তর কোরিয়া যদি নিশ্চিত করে তবে আজ নিয়ে দেশটি ষষ্ট দফা পরমাণু পরীক্ষা চালাল।

এমবি