উত্তর কোরিয়ার ওপর জাতিসংঘের নতুন নিষেধাজ্ঞাকে যুদ্ধ ঘোষণার শামিল বলে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে দেশটি।
বিবিসি অনলাইনকে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে উদ্ধৃত করে বলা হয়, এই নিষেধাজ্ঞা উত্তর কোরিয়ার সার্বভৌমত্বের জন্যও চরম হুমকি।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতির বরাত দিয়ে উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম কেসিএনএ বলছে, দেশটিকে অর্থনৈতিকভাবে পঙ্গু করে দিতেই জাতিসংঘ এই পদক্ষেপ নিয়েছে। তবে কোনো কিছুই উত্তর কোরিয়াকে আটকাতে পারবে না।
এতে আরও বলা হয়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সম্পূর্ণভাবে ভীত এবং উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক শক্তি সম্পূর্ণ করা-ই এর ঐতিহাসিক কারণ ।
যুক্তরাষ্ট্র আরও বেশি উন্মত্ত হয়ে উঠছে এবং একের পর এক কঠোর নিষেধাজ্ঞা ও চাপ প্রয়োগের জন্য পদক্ষেপ নিচ্ছে বলেও উল্লেখ করা হয় বিবৃতিতে। যুক্তরাষ্ট্রের সাথে ভারসাম্যপূর্ণ শক্তি স্থাপনের কথাও বলা হয়েছে বিবৃতিতে।
"আমরা আমাদের আত্মরক্ষার জন্য পারমাণবিক শক্তি-বৃদ্ধিকরণ অব্যাহত রাখবো মূলত মার্কিন পারমাণবিক হুমকি, প্রতারণা এবং প্রতিকুল কর্মসূচির মোকাবেলায় যুক্তরাষ্ট্রের সাথে ভারসাম্যপূর্ণ ব্যবহারিক শক্তি স্থাপনের জন্য।
দেশটি ইতোমধ্যেই যুক্তরাষ্ট্র, জাতিসংঘ এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের তরফ থেকে নিষেধাজ্ঞার মধ্যে রয়েছে। এটি ছিল উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের ১০ম নিষেধাজ্ঞা আরোপ। নতুন প্রস্তাবে তেল ও পেট্রোল আমদানি কমিয়ে আনার কথা বলা হয়।
বিবিসির খবরে বলা হয়, ভোটাভুটিতে পাস হওয়া প্রস্তাবে উত্তর কোরিয়ায় তেল সরবরাহ ৯০ শতাংশ কমানোর পদক্ষেপের কথা বলা হয়েছে।
পাশাপাশি বিভিন্ন দেশে কর্মরত প্রবাসী শ্রমিকদের ১২ মাসের মধ্যে দেশে ফেরত পাঠানো হবে।
উত্তর কোরিয়ার বৈদ্যুতিক ও অন্যান্য যন্ত্রপাতির মতো পণ্য রপ্তানি নিষিদ্ধের পদক্ষেপও প্রস্তাবে আছে। উত্তর কোরিয়ার ওপর এক বছরে এটি তৃতীয়বারের মতো নিষেধাজ্ঞা। -বিবিসি
এএস





