প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অংশ নিবেন এই ঘোষণার পরপরই গ্রেফতার হয়েছেন মিশরে সাবেক সেনাপ্রধান সামি আনান। সামরিক আইন লঙ্ঘনসহ বিভিন্ন অভিযোগ এনে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
বর্তমান প্রেসিডেন্ট আবদুল ফাত্তাহ আল-সিসির সর্বশেষ শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন সামি আনান। এর আগে নিজেদের প্রার্থীতা ঘোষণার পর বেশ কয়েকজন পিছিয়ে এসেছেন ইতিমধ্যে।
তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগগুলো হচ্ছে সশস্ত্র বাহিনী কর্তৃক সামরিক আইন লঙ্ঘন, নথিপত্র ফাঁস এবং অনুমতি ছাড়া নির্বাচনে অংশগ্রহণের ঘোষণা ইত্যাদি।
২০০৫-২০১২ সাল মেয়াদে আনান দেশটির সেনাপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ মাসের শুরুতে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে তিনি নির্বাচনে অংশগ্রহণের প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করেন।
মঙ্গলবার মিশরের সামরিক সম্প্রচার মাধ্যম এক বিবৃতিতে জানায়, প্রাক্তন এ জেনারেলের বিরুদ্ধে সামরিক আইন লঙ্ঘনের মারাত্মক অভিযোগ আনা হয়েছে।
এদিকে আনানকে কায়রোর সামরিক প্রসিকিউটরের অফিসে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। রয়টার্সকে তার এক মুখপাত্র বলেন, কোন ধরণের আইন লঙ্ঘনের কথা অস্বীকৃতি জানিয়েছেন আনান এবং নির্বাচনে অংশগ্রহণের ঘোষণা দেয়ার কারণে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
আনানের গ্রেফতারের মধ্যে দিয়ে নির্বাচনে জিতে আসার জন্য এগিয়ে গেলেন প্রেসিডেন্ট সিসি। এর আগে অন্যান্য প্রতিদ্বন্দ্বীরাও নির্বাচন থেকে সরে আসলে বলতে গেলে সিসির পরবর্তী মেয়াদে প্রেসিডেন্ট হবার পথে আর বাধা থাকল না মূলত।
প্রহসনমূলক নির্বাচনের অভিযোগ এনে এ মাসের শুরুতেই আরেক শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী সাবেক প্রধানমন্ত্রী আহমেদ শফিক নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন।
২০১৩ সালে একটি সামরিক ক্যুর মাধ্যমে সামরিক প্রথম গণতান্ত্রিক প্রেসিডেন্ট মোহাম্মেদ মুরসিকে ক্ষমতাচ্যুত হন। পরবর্তীতে ২০১৪ সালের নির্বাচনে জিতে ক্ষমতায় আসেন দেশটির সেনাপ্রধান সিসি।
জেড





