ভারতের জহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে রোববার সন্ধ্যার দিকে লাঠিসোটা নিয়ে হামলা চালিয়েছে ৫০ জনেরও বেশি মুখোশধারী দুষ্কৃতি।

এসময় তারা ছাত্র ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট ঐশী ঘোষের মাথা ফাটিয়ে দেয়। হামলায় আহত হন আরও অন্তত ২০ জন শিক্ষার্থী এবং শিক্ষক।

তাদের হামলায় বেশ কয়েকজন শিক্ষক এবং শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে আছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের সভানেত্রী ঐশী ঘোষ।

এই হামলার ভারতের ক্ষমতাসীন দলের ছাত্র সংগঠন অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদকে (এবিভিপি) দায়ী করা হয়েছে।

এনডিটিভি জানায়, রোববার সন্ধ্যার পরপর এই হামলার ঘটনা ঘটে। সেসময় কয়েকটি হলে ঢুকে ভাঙচুর চালায় হামলাকারীরা।

আহত ঐশী ঘোষ বলেন, ‘মুখোশ পরা দুষ্কৃতকারীরা আমার ওপর হামলা চালায়। আমার মাথা ফেটে শরীর দিয়ে রক্ত ঝরছে। আমাকে নির্মমভাবে মারধর করা হয়েছে।’

ছাত্র সংসদের সহসভাপতি সাকেট মুন জানান, পুলিশ ক্যাম্পাসেই ছিল। তারা এবং নিরাপত্তারক্ষীরা কিছুই করেনি।

তবে এবিভিপি হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে, তাদের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছে বামপন্থী ছাত্ররা।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, হামলার সময় ছাত্রীরা সবরমতী হলের মহিলা শাখায় গিয়ে নিজেদের বাঁচানোর চেষ্টা করেন। সেইসময় আক্রমণকারীরা গোটা করিডরে ভাঙচুর চালায়। বাইরের কার পার্কিংয়েও চালানো হয় ভাঙচুর।

এক ছাত্রী চিৎকার করে তাদের প্রশ্ন করছেন, ‘এটা কী হচ্ছে! তোমরা কারা? মেয়েদের হোস্টেলে কেন ঢুকছ! আমাদের ভয় দেখাতে এসেছ?’

ওই ভিডিওতেই শোনা যাচ্ছে কিছু ছাত্রী স্লোগান দিচ্ছেন, এবিভিপি গো ব্যাক।

এই ভিডিওটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপগুলোতেও ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে মুখোশধারী হামলাকারীদের গালিগালাজ করতে শোনা যায়।

এএস