দাবি অনুযায়ী ইউরোপের বিভিন্ন দেশে শরণার্থীদের ভাগ করে দিতে কোটা পদ্ধতির ঘোষণা দিতে যাচ্ছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। প্রস্তাবনা অনুযায়ী এক লাখ ২০ হাজার শরণার্থীকে বাধ্যতামূলকভাবে ভাগ করে দেওয়া হবে।

ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট জ্যাঁ-ক্লদ জ্যাঁকার শিগগিরই শরণার্থীদের জন্য বাধ্যতামূলক কোটার ঘোষণা দেবেন।

বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কোটা অনুযায়ী ইতালি, গ্রিস ও হাঙ্গেরিতে থাকা শরণার্থীদের ৬০ শতাংশ জার্মানি, ফ্রান্স ও স্পেনের মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হবে।

ভাগ করে দেওয়ার ক্ষেত্রে দেশগুলোর জিডিপি, জনসংখ্যা, বেকারত্বের হার ও শরণার্থীদের আবেদনের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। যে সব দেশ শরণার্থী নিতে অস্বীকৃতি জানাবে তাদের আর্থিক জরিমানা করা হবে।

এ ছাড়া শরণার্থী সঙ্কট মোকাবেলায় মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকার সমস্যাকবলিত দেশগুলোকে অর্থনৈতিকভাবে সহায়তা করা হবে। মানবপাচারকারীদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থার ঘোষণা আসছে।

হাঙ্গেরিকে আরও ৪০ হাজার শরণার্থী নেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হবে।

ইইউ’র বাধ্যতামূলক কোটা চালুর সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছে চেকপ্রজাতন্ত্র, স্লোভাকিয়া, পোল্যান্ড ও রোমানিয়া।

তবে পোল্যান্ড গত মঙ্গলবার কিছুটা নমনীয় ভাব প্রকাশ করেছে। দেশটির প্রধানমন্ত্রী এওয়া কোপাজ জানিয়েছেন, তারা পূর্বঘোষিত ২ হাজারের চেয়ে আরও বেশি শরণার্থী নেবে।

জার্মান চ্যান্সেলর এ্যাঙ্গেলা ম্যার্কেল কোটা পদ্ধতিকে শরণার্থী সঙ্কট মোকাবেলায় ‘গুরুত্বপূর্ণ প্রথম ধাপ’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

চলতি বছর ৮ লাখ শরণার্থী নেবে জার্মানি। দেশটি প্রতিবছর ৫ লাখ করে শরণার্থী নিতে পারবে বলেও জানিয়েছে। সূত্র : বিবিসি।

কেএইচ