ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনের পর ইউরোপের প্রথম দেশ হিসেবে জেরুজালেমে দূতাবাস চালু করল কসোভো। দেশটি জানিয়েছে, আনুষ্ঠানিকভাবে তারা জেরুজালেমে দূতাবাস চালু করেছে। খবর আল জাজিরার।

ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন দুপক্ষই দিনের পর দিন জেরুজালেম শহরকে নিজেদের রাজধানী বলে দাবি করে আসছে। এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত স্থায়ী কোনও সমাধান না হতেই বিভিন্ন দেশ ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করে জেরুজালেমে নিজেদের দূতাবাস চালু করছে।

কসোভোর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, গত ফেব্রুয়ারিতে ইসরায়েলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের পরই দূতাবাস চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এর আগে গত বছরের সেপ্টেম্বরে ইসরায়েল ও কসোভোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মধ্যে হোয়াইট হাউসে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে জানানো হয়, আনুষ্ঠানিকভাবে ইসরায়েলের জেরুজালেম শহরে কসোভোর দূতাবাস চালু করা হয়েছে। এর আগে যুক্তরাষ্ট্র ও গুয়াতেমালা জেরুজালেমে তাদের দূতাবাস চালু করেছে। এবার তাদের দেখানো পথ অনুসরণ করল কসোভো।

কসোভোর বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী আবদুল্লাজ হোতি গত সেপ্টেম্বরে হোয়াইট হাউসে সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট আলেক্সান্ডার ভুসিস ও এরপর তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার পরই ইউরোপের এই দেশটি এমন সিদ্ধান্ত নিল।

জেরুজালেমে দূতাবাস চালুর বিষয়টিকে ‘সত্যিকারের গর্বের ও ঐতিহাসিক মুহূর্ত’ বলে উল্লেখ করেছেন কসোভোর চার্জ দ্যা অ্যাফেয়ার্স ইনেস দেমিরি।

এমআর