‘যেতে নাহি মন চায়, তবু চলে যেতে হবে।’ বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ড্যান ডব্লিউ মজীনা এভাবেই নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করলেন।
বিদায়ী এই রাষ্ট্রদূতকে বৃহস্পতিবার দুপুরে বিদায় সংবর্ধনা জানান পররাষ্ট্র মন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বিদায়ী সংবর্ধনা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মার্কিন রাষ্ট্রদূত এই অনুভূতি ব্যক্ত করেন।
রাষ্ট্রদূত ড্যান ডব্লিউ মজীনা বলেন, ‘বাংলাদেশ আমার হৃদয় ছুঁয়েছে। চলে যেতে মন চাইছে না কিন্তু চলে যেতে হবে। কয়েকদিনের মধ্যেই আমি বাংলাদেশ ছেড়ে যাব। এটাই বাস্তবতা।’
তিনি বলেন, ‘কখনোই এই দেশকে ভুলতে পারবো না। কেননা এই দেশের কৃষকের মধ্যে আমি আমার বাবাকে খুঁজে পাই। এই দেশের কৃষকরা খুবই দক্ষ এবং পরিশ্রমী।’
যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্ক নিয়ে মজীনা বলেন, ‘বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র একে অপরের ভালো বন্ধু। অন্য যে কোনো সময়ের চেয়ে এখন বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক অনেক শক্তিশালী এবং বন্ধুত্বপূর্ণ। এ জন্য আমি অনেক গর্ববোধ করছি।’
তিনি বলেন, ‘দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে যে সহযোগিতা পেয়েছি তার জন্য আমি কৃতজ্ঞ এবং একই সঙ্গে নিজেকে ভাগ্যবান মনে করছি। কৃষি, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা, বৈশ্বিক জলবায়ু মোকাবেলাসহ বিভিন্ন খাতের উন্নয়নে সরকারের যে সহায়তা পেয়েছি তার জন্য কৃতজ্ঞ।’
রহিঙ্গা ইস্যূতে কথা বলেন ড্যান মাজিনা। তিনি বলেন, মায়ানমারে রোহিঙ্গাদের ওপর যে নির্যাতন হচ্ছে তা নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা উদ্বিগ্ন।
জেআই





