ভারতীয় ও চীনা সেনারা প্রায় ৩ সপ্তাহ ধরে যুদ্ধং দেহি অবস্থায় মুখোমুখি রয়েছে। ওখানে চীন যে নতুন সড়ক নির্মাণ করছে, তা চীনের জমিতে। যা ভারত বা ভুটানের জমিতে নয়। কিন্তু, বিবাদ তা নিয়েই।

এরই মধ্যে জার্মানিতে আজ জি-২০ শীর্ষ সম্মেলন শুরু হচ্ছে। এতে যোগ দিচ্ছেন ভারত ও চীনের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানরা। সম্মেলনের এক ফাঁকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের মধ্যে বৈঠক হবে এবং ওই বিরোধের একটা মীমাংসা হয়ে যাবে, এমনই প্রত্যাশা ছিল ভারতীয় কূটনৈতিক মহলে। কিন্তু চীন তা প্রত্যখ্যান করেছে। অর্থাৎ জার্মানিতে ভারত ও চীনের মধ্যে কোনো বৈঠক হচ্ছে না।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবরে আরও বলা হয়েছে, চীনের এই অপ্রত্যাশিত কঠোর অবস্থানের ব্যাখ্যা খুঁজতে এখন ব্যস্ত ভারতীয় মহল। প্রতিবেশীদের কাছে ভারতকে অপদস্থ করাই কি চিনের লক্ষ্য?

দুই পরমাণু শক্তিধর দেশের মধ্যে এমন যুদ্ধ-যুদ্ধ অবস্থান শান্তির পক্ষে মোটেই বাঞ্ছনীয় নয়। এবার তবে কী? কোন দেশ আগে চোখের পলক ফেলে পিছিয়ে আসবে? অবশ্য তা দেখতে বিশ্ববাসীকে অপেক্ষা করতে হচ্ছে বৈকি!

এমএনজে