প্রাথমিকভাবে ফটিকরয় থানার কুমারঘাট এলাকায় একটি স্থানীয় মেলার চাঁদা সংগ্রহকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের আগুন লেগেছে। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানো হলে এক সম্প্রদায়ের লোকজন কাঠের দোকানসহ বিভিন্ন স্থাপনায় আগুন ধরিয়ে দেয় এবং একটি উপাসনালয় ভাঙচুর করে।
সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে কুমারঘাট মহকুমা এবং আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। মোবাইল ইন্টারনেট সেবা ৪৮ ঘণ্টার জন্য বন্ধ রাখা হয়েছে। কেন্দ্রীয় রিজার্ভ পুলিশ বাহিনী (সিআরপিএফ) এবং ত্রিপুরা স্টেট রাইফেলস (টিএসআর) এলাকায় টহল চালাচ্ছে। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে হালকা লাঠিচার্জ এবং ড্রোনের মাধ্যমে নজরদারি চালাচ্ছে।
ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে অন্তত আটজনকে আটক করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, উত্তেজনা ও সহিংসতা পুনরায় না ঘটাতে বিশেষ নজরদারি অব্যাহত থাকবে। ১৬৩ ধারার আওতায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা চালু রয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, আসন্ন ভৈরব মেলার আগে এই উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। পুলিশ ও প্রশাসন জনসাধারণকে সতর্ক করেছে যাতে উসকানিমূলক কোনো তথ্য বা পোস্ট শেয়ার না করা হয়। সামাজিক মাধ্যমে পুলিশ জানিয়েছে, পরিস্থিতি এখন শান্ত এবং সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আছে।
প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্থিতিশীল হলেও, এই ঘটনা আবারও প্রমাণ করেছে যে ছোট ঘটনার মধ্যেও সম্প্রদায় ভিত্তিক উত্তেজনা দ্রুত বেড়ে যেতে পারে। আসন্ন ভৈরব মেলার আগে জনশান্তি বজায় রাখতে ত্রিপুরা প্রশাসন পর্যবেক্ষণ ও টহল অব্যাহত রাখবে।
এনএইচ