অ্যামেরিকার নিউইয়র্ক শহরের ব্যস্ততম বাস টার্মিনালে 'সন্ত্রাসী আক্রমণের চেষ্টা'র অভিযোগে পুলিশ একজনকে আটক করেছে।

আটক হবার সময় আহত ঐ ব্যক্তিকে মার্কিন সংবাদ মাধ্যম 'বাংলাদেশী অভিবাসী' বলে উল্লেখ করেছে। শহরটির মেয়র বিল দা ব্লাসিও বলেছেন, সন্ত্রাসীরা কিছুতেই জয়ী হবেনা।

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিস্ফোরণের পর শরীরে 'নিম্ন-প্রযুক্তি'র একটি বোমা বাধা অবস্থায় আকায়েদ উল্লাহ নামে এক যুবককে আটক করা হয়েছে।

নিউ ইয়র্ক টাইমস সহ একাধিক মার্কিণ সংবাদ মাধ্যম পুলিশকে উদ্ধৃত করে বলছে, আকায়েদউল্লাহ একজন বাংলাদেশী অভিবাসী এবং ব্রুকলিন এলাকার বাসিন্দা।

এরপর থেকে সেখানকার বাংলাদেশী কম্যুনিটির মধ্যে উদ্বেগ আর দুশ্চিন্তা ছড়িয়ে পড়ে।

সন্ত্রাসী হামলার জন্য অভিযুক্ত ব্যক্তিকে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ। ওই হামলার নিন্দা জানিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে দেয়া এক বিবৃতিতে এ দাবি জানায় ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস।

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘বাংলাদেশ সরকার সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ঘোষিত জিরো টলারেন্স নীতির প্রতি বদ্ধপরিকর। বাংলাদেশ সরকার নিউইয়র্ক সিটিতে সোমবারের ঘটনাসহ বিশ্বের যে কোনও স্থানে যে কোনও ধরনের সন্ত্রাস ও সহিংস উগ্রবাদের নিন্দা জানায়’।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘ধর্ম কিংবা জাতিগত পরিচয় যাই হোক না কেন একজন সন্ত্রাসীর পরিচয় হলো সন্ত্রাসী। তাকে অবশ্যই বিচারের আওতায় আনতে হবে’।

উল্লেখ্য, নিউইয়র্কের ম্যানহাটনে সোমবার স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৭টার দিকে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনার পর আহতাবস্থায় আকায়েদ উল্লাহ নামে ২৭ বছর বয়সী একজন গ্রেফতার করা হয়। পেশায় টেক্সি চালক এ তরুণ বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত।

সাত বছর আগে বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান আকায়েদ। তিনি একটি ইলেকট্রিক কোম্পানিতে চাকরি করেন। আকায়েদের বাড়ি চট্টগ্রামে।

নিউইয়র্ক পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, আকায়েদ নিজের সঙ্গে বাঁধা বিস্ফোরকের বিস্ফোরণ ঘটিয়েছিলো।

এএস