সিরিয়া ও ইরাকে ইসলামিক স্টেটের (আইএস) ওপর বিমান হামলা চালানোর জন্য সিদ্ধান্ত নিয়েছে তুরস্ককের সংসদ।
এজন্য বৃহস্প্রতিবার সংসদ সদস্যরা মার্কিন নেতৃত্বাধীন সামরিক জোটের বিদেশী সৈন্যদের জন্য তুরস্কের সৈন্যঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে।
এর আগে মঙ্গলবার ক্ষমতাসীন আদালাত ভিকালকিনমা পার্টিসির (ন্যায়বিচার ও উন্নয়নদল-একে) সংসদে এ বিষয়ে একটি প্রস্তাব উত্থাপন করে। সেই প্রস্তাবের পক্ষে ভোট পড়েছে ২৯৮ টি। বিপরীতে ভোট পড়েছে ৯৮ টি।
সংসদে এদিন তুর্কি প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ইসমাত ইলমাজ বলেন, ‘সিরিয়ার সশস্ত্র আইএস জঙ্গীরা তুরস্কের নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমাদের সীমান্তে যথাসম্ভব সংঘর্ষের প্রভাবকে প্রশমিত করার জন্যই এই আদেশ।
ইলমাজ বলেন, শিরশ্ছেদ ও নৃশংসতা সৃষ্টিকারী আইএসের এই অপকর্ম দেখেও না দেখার ভান করা যায় না।
তিনি আরো বলেন, এই আদেশ হলো সেই সন্ত্রাসী সংগঠনটির জন্য বার্তা, যারা (ইরাক ও সিরিয়ার) শান্তি বিনষ্ট করতে সচেষ্ট। এছাড়াও কারন হিসেবে সিরিয়ার সশস্ত্রবাহিনী কতৃক তুরস্ক সীমান্তে গোলাহামলা করা এবং সাধারণ মানুষ নিহত কথা উল্লেখ করেন।
প্রসঙ্গত, সিরিয়ার প্রতিবেশী দেশ তুরস্ক। সিরিয়ার সঙ্গে ৯০০ কিলোমিটারের সীমান্ত পরিধি আছে দেশটির। সিরিয়ার দেড় লক্ষাধিক কুর্দি আশ্রয় নিয়েছে তুরস্কে। আইএসের ভয়ে কোবানে থেকে এসব কুর্দি তুরস্কে পালিয়ে গেছে।
উল্লেখ্য, তুরস্কের বেশ কিছু নাগরিককে জিম্মি করে রেখেছিল সিরীয় আইএস। তখন অবশ্য সিরিয়ায় আইএস বিরোধী অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগ দিতে সম্মত হয়নি তুরস্ক। গতমাসে জিম্মি তুর্কিদের মুক্তি দেয় আইএস। সূত্র : আলজাজিরা।
ইআর





