ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোয় সরকারবিরোধী বিক্ষোভে কমপক্ষে ৭ জন নিহত হয়েছেন। স্থানীয় সূত্রগুলোর বরাত দিয়ে এমনটাই জানায় আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমগুলো ।
দেশটির প্রেসিডেন্ট জোসেফ কাবিলার পদত্যাগের দাবিতে তারা বিক্ষোভ করছিলেন। এক বছর আগে ক্ষমতা মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও সরে না দাঁড়ানোয় মূলত রাস্তায় নেমে আসে কঙ্গোর মানুষ।
রাজধানী কিনসাসায় বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ছোঁড়ে। তিন সপ্তাহ আগেও এ ধরনের এক বিক্ষোভে বেশ কয়েকজন নিহত হয়।
দেশটিতে জাতিসংঘ মিশনের একজন মুখপাত্র বলেছেন, রোববারের ওই সংঘর্ষের ঘটনায় প্রায় ৫০ জন আহত হয়। এসময় আটক করা হয় বেশ কয়েকজনকে।
সাবেক মন্ত্রী জ্য-ব্যাপটিজ সোন্দজি বলেছেন, তিনি কিতাম্বো এলাকায় একটি চার্চের বাইরে ১৬ বছরের এক মেয়ের মৃত্যু নিজ চোখে দেখেছেন।
তিনি বলেন, একটি সশস্ত্র গাড়ি চার্চের সামনে দিয়ে যাচ্ছিল। এসময় তারা গুলি ছুঁড়তে শুরু করে। আমি নিরাপদ স্থানে সরে যেতে সক্ষম হই। কিন্তু চার্চের বাইরে থাকা ওই মেয়েটির গুলি লাগে।
দেশটির ক্যাথলিক চার্চ ওই বিক্ষোভের ডাক দেয়। তবে কঙ্গোর কর্তৃপক্ষ সব ধরনের বিক্ষোভ-সমাবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে। আর এই সমাবেশের জন্য আনুষ্ঠানিক অনুমতি দেয়া থেকেও বিরত থাকে কর্তৃপক্ষ। এর আগে শনিবার রাজধানী কিনসাসার ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়া হয়।
উল্লেখ্য, ২০০১ সাল থেকে কঙ্গোর ক্ষমতায় রয়েছেন প্রেসিডেন্ট কাবিলা। ২০১৬ সালে তার ক্ষমতার মেয়াদ শেষ হয়। কিন্তু এক চুক্তির মাধ্যমে প্রেসিডেন্ট কাবিলার ক্ষমতার মেয়াদ আরও এক বছর বাড়ানো হয়। কিন্তু তিনি পদত্যাগ না করে নির্বাচন পিছিয়ে দেন চলতি বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত।
জেড





