ভারতের রাজধানী দিল্লির সংঘর্ষ কবলিত এলাকায় দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের যাওয়ার কয়েকঘন্টা পরেই, বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় উত্তরপূর্ব দিল্লির ভজনপুরায় নতুন করে হিংসার খবর পাওয়া গিয়েছে।
রোববার থেকে বিতর্কিত নাগরিকত্ব আইন নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ২৭ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়া আহতের সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতের সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।
গতকাল (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিবিসির খবরে বলা হয়েছে দিল্লির সংঘর্ষে আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন আরও অন্তত ১৯০ জন। আহতদের মধ্যে গুলিবিদ্ধসহ সব ধরণের হামলার শিকার ব্যক্তিরাই আছেন।
দিল্লির সহিংসতায় মূল টার্গেট মুসলিমরা। শুরু হওয়া সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়েছে উত্তর-পূর্ব দিল্লির মুসলিম অধ্যুষিত এলাকায়।
মুসলমানদের ঘর-বাড়ি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা, মসজিদে আগুন দিয়ে মিনারের চূড়ায় হনুমানের পতাকা লাগিয়ে দিয়েছে উগ্র হিন্দুরা।
ভারতের সহিংসতা নিয়ে বিবিসির খবরে বলা হয়, ভারতের রাজধানী দিল্লিতে সহিংসতার তৃতীয় রাতেও বেশীরভাগ ঘটনায় মুসলিমদের বাড়িঘর ও দোকানপাটে হামলার খবর পাওয়া গেছে। গত এক দশকের মধ্যে চলমান ঘটনাবলীকে ভারতে সবচেয়ে ভয়াবহ সহিংসতা বলে উল্লেখ করা হচ্ছে। দেশটির বিতর্কিত নাগরিকত্ব আইনের পক্ষ ও বিপক্ষ গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষের সূচনা হয়েছিলো রোববার, যা পরে সাম্প্রদায়িক সহিংসতায় রূপ নেয় বলে জানান সংবাদদাতারা।
ছবি এবং ভিডিওতে সয়লাব হয়ে গেছে সোশ্যাল মিডিয়া। এসব ছবিতে দেখা গেছে, অগ্নিসংযোগের পাশাপাশি লাঠি-রড নিয়ে মুখোমুখি অবস্থায় দাঁড়িয়ে আছে সংঘর্ষকারীরা
এমবি





