সাবেক সামরিক শাসক পারভেজ মোশাররফকে বিশ্বাসঘাতকতার মামলায় অভিযুক্ত করেছে পাকিস্তানের একটি আদালত। যদি তিনি দোষী প্রমাণিত হন, তবে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হবে।
পারভেজ মোশাররফ হচ্ছেন পাকিস্তানের একমাত্র ব্যক্তি, যিনি সেনাবাহিনীর প্রধানের দায়িত্ব পালনের পর এধরনের মামলার মুখোমুখি হচ্ছেন।
সংবিধান বাতিল এবং ২০০৭ সালে দেশে জরুরি অবস্থা জারি করার কারণে তাকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
মোশাররফ তার বিরুদ্ধে আনা সকল অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলছেন, যে অভিযোগগুলো আনা হয়েছে সেগুলো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
২০০১ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানে ক্ষমতায় ছিলেন মোশাররফ। দেশটির ইতিহাসে তিনি দীর্ঘস্থায়ী প্রেসিডেন্ট। ২০০৮ সালে তিনি স্বেচ্ছা-নির্বাসনে চলে যান। দেশে ফেরেন ২০১৩ সালে।পারভেজ মোশাররফ আশা করেছিলেন যে, তিনি নির্বাচনে তার দলকে নেতৃত্ব দিবেন।কিন্তু তিনি নির্বাচনে অযোগ্য বিবেচিত হন। পাশাপাশি তার শাসনামলের সাথে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ের জন্য অভিযুক্ত হন।
উচ্চ রক্তচাপের কারণে চলতি বছরের শুরু থেকে হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন ৭০ বছর বয়স্ক সাবেক সামরিক শাসক পারভেজ মোশাররফ।
[b]আদালতে যা বললেন সাবেক সামরিক শাসক[/b]
পারভেজ মোশাররফের বিরুদ্ধে ৫টি অভিযোগ পড়ে শোনানো হয়। প্রতিটি অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তিনি। এসময় তিনি নিজের অবস্থান তুলে ধরে বলেন "আমাকে বিশ্বাসঘাতক বলা হচ্ছে। আমি চিফ অফ আর্মি স্টাফ ছিলাম ৯ বছর এবং ৪৫ বছর এই আর্মিতে চাকুরি করেছি। আমি দু'টি যুদ্ধ করেছি এবং এটা কি 'বিশ্বাসঘাতকতা'?"
সূত্র: বিবিসি, ডন।
[b]ঢাকা, ৩১ মার্চ (টাইমনিউজবিডিডটকম) // টিআই[/b]
আন্তর্জাতিক
বিশ্বাসঘাতকতার মামলায় পারভেজ মোশাররফ অভিযুক্ত
সাবেক সামরিক শাসক পারভেজ মোশাররফকে বিশ্বাসঘাতকতার মামলায় অভিযুক্ত করেছে পাকিস্তানের একটি আদালত। যদি তিনি দোষী প্রমাণিত হন, তবে তাকে মৃত্যুদণ্ড





