ভারতীয় রেল মন্ত্রণালায়ের মুখপাত্র অমিতাভ শর্মা জানিয়েছেন, যশবন্তপুর-হাওড়া সুপারফাস্ট এক্সপ্রেসের সঙ্গে করমণ্ডল এক্সপ্রেসের লাইনচ্যুত একাধিক বগির ধাক্কা লাগে। এরপর অপর দিকে ট্রাকে ছিটকে পড়ে।

দুর্ঘটনার পরেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি রেলমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছেন। দুমড়ে মুচড়ে গিয়েছে একাধিক বগি। চারদিকে আর্তনাদ। তবে এ দিনের দুর্ঘটনা মনে করিয়ে দিয়েছে অতীতের একাধিক ভয়াবহ রেল দুর্ঘটনার কথা। এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুসারে এর আগে দেশে একাধিকবার ভয়াবহ রেল দুর্ঘটনা হয়েছিল।

  • ২০১১ সালের ৭ জুলাই- উত্তরপ্রদেশে ছাপড়া-মথুরা এক্সপ্রেস একটি বাসকে ধাক্কা মেরেছিল। সেই দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছিলেন ৬৯ জন। প্রহরীবিহীন লেভেল ক্রসিংয়ে এ দুর্ঘটনা হয়েছিল। প্রায় আধ কিমি দূরে বাসটিকে টেনে নিয়ে গিয়েছিল ট্রেনটি।
  • ২০১২ সালের ১৩ জুলাই- দিল্লি চেন্নাই তামিলনাড়ু এক্সপ্রেসে আগুন লাগে। সে অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ৩০ জনের মৃত্যু হয়েছিল।
  • ২০১৪ সালে ২৬ মে- গোরক্ষধাম এক্সপ্রেস দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। দাঁড়িয়ে থাকা একটি মালগাড়িকে ধাক্কা দিয়েছিল ট্রেনটি। সে দূর্ঘটনায় নিহত হয়েছিল ২৫ জন।
  • ২০১৫ সালের ২০ মার্চ- জনতা এক্সপ্রেস উত্তরপ্রদেশে দুর্ঘটনায় পরেছিল। সেবার মারা গিয়েছিলো ৩০ জন।
  • ২০১৬ সালের ২০ নভেম্বর- ইন্দোর পটনা এক্সপ্রেস দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। কানপুরে লাইনচ্যুত হয় ট্রেন। সে দূর্ঘটনায় প্রায় ১৫০ জনের মৃত্যু হয়।
  • ২০১৭ সালের ১৯ আগস্ট- কলিঙ্গ উৎকল এক্সপ্রেস উত্তরপ্রদেশে লাইনচ্যুত হয়ে মারা যান ২১ জন।
  • ফের ২০১৭ সালের ২৩ আগস্ট- দিল্লিগামী কৈফিয়ৎ এক্সপ্রেস উত্তরপ্রদেশে লাইনচ্যুত হয়ে আহত হয়েছিলেন ৭০ জন।
  • ২০২২ সালের ১৩ জানুয়ারি- বিকানির গুয়াহাটি এক্সপ্রেস । পশ্চিমবঙ্গের ময়নাগুড়িতে লাইনচ্যুত হয়েছিল। সেবার মৃত্যু হয়েছিল ৯ জনের।

এনএইচ