মিশরের বিতর্কিত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয় পেয়েছেন সাবেক সেনাপ্রধান ও অভ্যুত্থানকারী আবদেল ফাত্তাহ আল সিসি। নির্বাচনে ভোটারদের অংশগ্রহণ ছিল খুবই কম। ভোটের সময়সীমা একদিন বাড়িয়েও আশানুরূপ সাড়া মেলেনি। বৃহস্পতিবার প্রাথমিক ফলাফলে দেখা যায়, সিসি পেয়েছেন মোট ৯৩ দশমিক ৩ ভাগ ভোট। তার একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী বামপন্থী নেতা হামদেন সাবাহি পেয়েছেন মাত্র ৩ দশমিক ৭ ভাগ ভোট। এ নির্বাচনে ভোটারদের অংশগ্রহণ বাড়াতে ব্যাপক প্রচারণা চালিয়েছিল মিশরের সেনা সমর্থিত সরকার। তারা লোকজনকে ভোট দেওয়ার বিষয়ে উৎসাহিত করতে মঙ্গলবার সরকারি ছুটির দিন ঘোষণা করেছিল। এমনকি ওইদিন ভোটারদের জন্য রেলের টিকেট ভাড়াও মওকুফ করা হয়েছিল। সোম ও মঙ্গল দুদিনের নির্ধারিত ভোটের গ্রহণের সময় শেষ হওয়ার পর বুধবার ভোটের সময় আরো একদিন বাড়ানো হয়। কিন্তু তাদের এসব প্রচেষ্টা তেমন কোনো কাজে আসেনি। এ নির্বাচনে ৫ কোটি ৩০ লাখ ভোটারের মধ্যে মাত্র ৪৪ দশমিক ৪ শতাংশ ভোট দিয়েছে বলে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে। গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত প্রথম প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরসিকে ক্ষমতাচ্যূত করার পর সে দেশে এটিই ছিল প্রথম প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। এদিকে সিসির বিজয়ী হওয়ার খবরে তার সমর্থকরা বিভিন্ন শহরের সড়কে জড়ো হয় এবং পতাকা উড়িয়ে, আতশবজি ফুটিয়ে উল্লাস প্রকাশ করতে শুরু করে। কায়রোর তাহরির স্কয়ারেও জড়ো হয় প্রায় এক হাজারেরও কম লোক। তদের আশা এ নির্বাচনের মাধ্যমে  সামরিক শাসন থেকে গণতন্ত্রের পথে ফিরবে  দেশ। অন্যদিকে, দেশটির গণতান্ত্রিক দলগুলো সিসির এ নির্বাচিত হওয়ার মাধ্যমে দেশে দ্বিতীয় মোবারকের আগমনের পদধ্বনি শোনা যাচ্ছে বলে অভিযোগ করছেন। সূত্র: আল আহরাম, রয়টার্স ও বিবিসি [b]ঢাকা, ২৯ মে (টাইমনিউজবিডি.কম) //এমএ[/b]