সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন জোটের চাপিয়ে দেয়া অবরোধেরে বিরুদ্ধে কাতারের প্রতিরোধ সংগ্রামের প্রতীক হয়ে উঠেছে গরু।

সৌদির ওপর দেশটির দুধ এবং গোশতের নির্ভরতা কাটিয়ে ওঠার জন্য ইউরোপ থেকে ৪০০০ গরু বিমানযোগে আনার প্রক্রিয়া শেষ করার মধ্য দিয়ে এমনটি হয়েছে।

এ সব গরু আমদানির অংশ হিসেবে প্রথম চালানে বিমান যোগে ১৬৫ হোলস্টেইন গাভী আনা হবে। হাংগেরির রাজধানী বুদাপেস্ট থেকে আনা হবে এ সব গরু।

কাতারি সংবাদ মাধ্যমগুলো এ খবর ব্যাপক গুরুত্বের সঙ্গে ফলাও করে প্রচার করছে। এ সব খবরে গরুকে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের আরোপিত নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে কাতারের প্রতিরোধ সংগ্রামের প্রতীক হিসেবে তুলে ধরা হয়।

রাজধানী দোহা থেকে ৫০ মাইল দূরের খামার বালাদান লাইভস্টোক প্রোডাকশনে নিয়ে যাওয়া হবে বিমান যোগে আমদানি করা গাভী।

খামারের সিনিয়র ম্যানেজার জন ডোরে বলেন, উচ্চ-সংকর জাতের ১৬৫ হোলেস্টেইন গাভী আনা হবে। এর মধ্যে ৩৫টি দুধালো গাই বাকিগুলো বাছুর। অবশ্য বাছুরগুলো আগামী দুই থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যে দুধ দিতে শুরু করবে বলেও জানান তিনি।

চার হাজার গরুকে কাতারে আনতে মোট ৬০ ফ্লাইটের প্রয়োজন পড়বে বলে জানিয়েছেন আমদানিতে জড়িত কোম্পানির চেয়ারম্যান মাউতাজ আল-খা’য়া।

সব মিলে কাতারে গরুর পালের সংখ্যা ৫হাজারে দাঁড়াবে। দেশটির জন্য প্রয়োজনীয় দুধ-গোশতের ১০ থেকে ১৫ শতাংশের চাহিদা এতে মিটবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন জন ডোরে ।

অবশ্য, গরুর পালের সংখ্যা শেষ পর্যন্ত ২৫ হাজারে উন্নীত করার পরিকল্পনা করেছে কাতার।

এমবি