ভারতের পশ্চিমবঙ্গে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় আমফান। ঘূর্ণিঝড় আমফানের দাপটে লণ্ডভণ্ড এই রাজ্যের বিস্তীর্ণ অংশ। ইতোমধ্যে প্রাণ হারিয়েছেন দু'জন। হাওড়ায় টিনের চাল পড়ে মারা গিয়েছে এক কিশোরী। মিঁনাখায় মৃত্যু হয়েছে এক নারীর। গাছ চাপা পড়ে ওই মহিলার মৃত্যু হয়েছে বলে খবর।
তবে, দুশ্চিন্তার বিষয় হল ঘূর্ণিঝড়ের লেজ অংশ ফের ঢুকছে কলকাতার দিকে। ফলে ঝড়ের গতিবেগ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা।
ইতোমধ্যে যা খবর পাওয়া যাচ্ছে, কচুবেরিয়ার জেটি সম্পূর্ণভাবে ভেঙে গেছে। কাকদ্বীপ, কৈখালি, কুলতলি, পাথরপ্রতিমায় একের পর এক বাঁধ ভেঙে পড়েছে। বানভাসী হতে চলেছে বহু গ্রাম। ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত বেশ কিছু এলাকার কাঁচা বাড়ি। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে গোসাবার ১৪টি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকা থেকে এখনও পর্যন্ত ৫০ হাজার মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে এনেছে প্রশাসন। এ ছাড়া কুলতলি থেকে ১০ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে খবর।
এই পরিস্থিতিতে বিপজ্জনক এলাকায় বিদ্যুত বিচ্ছিন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিদ্যুৎ দফতর থেকেও দুই ২৪ পরগনার বেশ কিছু জায়গায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন রাখার নির্দেশ দিয়েছে। কলকাতার অবস্থাও ভালো না। দিকেদিকে ভেঙে পড়েছে গাছ, ট্রাফিক সিগন্যাল। কলকাতার সমস্ত ফ্লাইওভার বন্ধ করে দিয়েছে প্রশাসন। আমফানের প্রভাবে পানির তোড়ে ভেসে গিয়েছে হাওড়া ফেরিঘাট। এই সময়।
এমআর





