গাজার ফিলিস্তিনি গ্রুপ হামাসের মনুষ্যবিহীন বিমান ড্রোন বিভাগের প্রধান মোহাম্মদ আল-জাওয়ারি(৪৯) নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় এক নারী সাংবাদিককে আটক করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার তিউনিসে তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়। তিনি গত ১০ বছর ধরে ড্রোন প্রযুক্তি উন্নয়নে কাজ করছিলেন।
এই হত্যাকাণ্ডের জন্য ইসরাইলকে দায়ী করে তার মৃত্যুর শোককে শক্তিতে পরিণত করার ঘোষণা দেয়।হত্যার দায়ে হামাসের কাসেম ব্রিগেড ইসরাইলের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নেয়ার অঙ্গীকার করেছে।
কাসেম ব্রিগেডের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে দেয়া এক বিবৃতিতে হামাস জানায়, ইহুদিবাদী বিশ্বাসঘাতকদের হাতে শাহাদতবরণকারী ফিলিস্তিন-আরব নেতা ইঞ্জিনিয়ার ও পাইলট মোহাম্মদ জাওয়ারির রক্ত বৃথা যেতে পারে না।
এদিকে তিউনিশিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার সন্দেহে একজন তিউনিসীয় নারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়াও হত্যাকাণ্ডের জন্য ভাড়া করা ৪টি গাড়ি জব্দ করা হয়েছে। সাইলেন্সারসহ দুটি বন্দুক ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।
ডেপুটি প্রসিকিউটর জেনারেল মুরাদ তুর্কি বেসরকারি রেডিওকে দেয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, গ্রেফতারকৃত নারী একজন সাংবাদিক।
তিনি আরো বলেন, এ ঘটনায় আট সন্দেহভাজনদের আটক করা হয়েছে।
অ্যাভিয়েশন ইঞ্জিনিয়ার জাওয়ারি তার ড্রোন বাহিন ইসরাইলের জন্য বেশ ভয়ের কারণ হয়ে ওঠেছিল।
উল্লেখ্য, ১৯৯৭ সালে ইসরাইলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ হামাস নেতা খালেদ মেশালের কানে বিষ স্প্রে করে হত্যার ব্যর্থ চেষ্টা চালায়। (আল জাজিরা,বিবিসি)
এমবি





