ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ক্ষমতাগ্রহণের প্রথম ১০০ দিনের জন্য একটি কার্যতালিকা গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন মন্ত্রিসভার সদস্যদের। কার্যকারিতা, প্রয়োগের উপায় ও বাস্তবায়নযোগ্যতার ভিত্তিতে এসব কার্যতালিকা প্রস্তুতের নির্দেশ দেন তিনি। এ ছাড়া আজ বৃহস্পতিবার তিনি অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে ১০টি বিষয়ের তালিকা তৈরি করেছেন। এগুলো হচ্ছে- এক. অর্থনৈতিক অগ্রগতি ত্বরান্তিত করতে পদক্ষেপ গ্রহণকে তালিকার এক নম্বরে রাখা হয়েছে। এজন্য মুদ্রাস্ফীতিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে। দুই. শিক্ষা, জ্বালানি ও পানি ব্যবস্থাপনাকে এরপর রাখা হয়েছে। নির্বাচনী প্রচারণার সময় মোদি শিক্ষার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো পূরণের উপর জোর দিয়েছিলেন। তিন. অবকাঠামোর খাতটি পুনর্গঠিত করতে চান মোদি। শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক বিশেষজ্ঞদেরকে ইতোমধ্যে তলব করেছে মোদি সরকার। প্রধান প্রধান খাতগুলোতে বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার তাগিদ দেয়া হয়েছে বিশেষজ্ঞদের। বিশেষ করে অবকাঠামো খাতের উন্নয়নের দিকে বেশি মনোযোগ দেয়া হয়েছে। বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধি করতেই অবকাঠামোর দিকে মনোযোগ দেয়া হচ্ছে। নির্বাচনী প্রচারণাতেও মোদি অবকাঠামোর দিকে বিশেষ জোর দিয়েছিলেন। ভারতকে বিশ্বের অন্যতম নির্মাতাকেন্দ্র করতে চান মোদি। চার. জনবান্ধব সরকার গঠনের ব্যাপারে মোদি বিশেষ আগ্রহী। সুষ্ঠুভাবে দেশ পরিচালনার চেয়েও সরকারকে জনবান্ধব হওয়া জরুরি বলে মনে করেন মোদি। পাঁচ. নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই বিভিন্ন নীতির বাস্তবায়ন করতে চায় মোদির সরকার। বিজেপি কংগ্রেস সরকারের অচলাবস্থা ও দীর্ঘসূত্রতার ব্যাপক সমালোচনা করতো। ছয়. নীতিগুলোর ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে চায় মোদির সরকার। সাত. সরকারি দরপত্র এখন থেকে অনলাইনে করার ব্যাপারে চিন্তা-ভাবনা করছে মোদি সরকার। এতে করে স্বচ্ছতার বিষয়টি আরও নিশ্চিত হবে। আট. বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমন্বয়হীনতার দূর করার ব্যাপারে মোদি সরকার বেশ সচেষ্ট। এ ব্যাপারে ইতোমধ্যে সচিবালয়কে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। নয়. আমলাতন্ত্রের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে চায় নতুন সরকার। দশ. আমলাতন্ত্রের স্বাধীনতা ও ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করার ব্যাপারেও সচেষ্ট মোদি সরকার। সূত্র: এনডিটিভি [b]ঢাকা, ২৯ মে (টাইমনিউজবিডি.কম) //এমএ [/b]