হিন্দুস্থান টাইমসের এক প্রতিবেদনে জানা যায় বৃহস্পতিবার ( ৪ মার্চ) রাত ১১টা ৩৫ মিনিটে ভাগলপুরের তাতারপুর থানা এলাকার কাজভালিচকের একটি বাড়িতে এ ভয়াবহ ঘটনাটি ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিস্ফোরণটি এতটাই শক্তিশালী ছিল যে আশেপাশের ৩ টি বাড়ি ধ্বংস হয়ে গেছে। একই সঙ্গে আশেপাশের অনেক বাড়ির দেয়ালেরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

ঘটনাস্থল থেকে ২০০-৩০০ মিটার দূরে ভাঙা বাড়ির ধ্বংসাবশেষ ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকতে দেখা গেছে। এই সময় পাশের বাড়িতে ঘুমন্ত লোকজনও গুরুতর আহত হয়েছেন।

এ বিস্ফোরণে প্রায় ২ কিলোমিটার পর্যন্ত এলাকা কেঁপে ওঠে এবং ৪ কিলোমিটার পর্যন্ত এলাকায় বিস্ফোরণের প্রতিধ্বনি শোনা যায়।

এরপর দুপুর ১টার দিকে জেসিবি আনিয়ে ধ্বংসাবশেষ সরানোর কাজ শুরু হয়। এরপর আরও বেশ কয়েকজনকে ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে উদ্ধার করা হয়। স্থানীয় লোকজন ধ্বংসস্তূপ থেকে অনেককে উদ্ধার করলেও পুলিশ কয়েক ঘণ্টার পরিশ্রমের পর জেসিবির সাহায্যে ধ্বংসাবশেষ সরিয়ে নেয়।

এরমধ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান ডিআইজি, এসএসপি, ডিএম সহ অনেক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। বিস্ফোরণে বৈদ্যুতিক খুঁটি ও তারও ভেঙে পড়ে। এই জেরে বিদ্যুত পরিষেবা বন্ধ হয়ে যায় এলাকায়। অন্ধকারের কারণে উদ্ধার কাজে সমস্যা হয়।

ভাগলপুরের ডিএম সুব্রত কুমার সেন বলেন, যে বাড়িটিতে বিস্ফোরণ হয়েছিল, সেখানে আতশবাজি তৈরি করা হত। বিস্ফোরণের আসল কারণ কী সেটা তদন্ত শেষে জানানো হবে।

একই সময়ে, প্রতিবেশীরা এবং আরও কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, আতশবাজি তৈরির আড়ালে ওই বাড়িতে বোমা তৈরি করা হত।

ভাগলপুরে বিস্ফোরণের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। তৎপরতার সঙ্গে উদ্ধার কাজ চলছে। আরও অনেক মানুষের চাপা পড়ে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

এইচএন