ইসরাইলি হামলায় ক্ষতবিক্ষত হয়ে গেছে সাত বছরের মোহাম্মদ আল বাতশের পুরো দেহ। মুমূর্ষ অবস্থায় তাকে গাজার আল শেফা হাসপাতালে আনা হয়েছে। চিকিৎসকেরাও ছুটে এলেন। কিন্তু শিশুটি জোর দিয়ে বলল, আগে তার বড় ভাই আহমদের চিকিৎসা করতে হবে।
মোহাম্মদের চেয়ে দুই বছরের বড় আহমদও মারাত্মকভাবে আহত ছিল। কিন্তু হাসপাতালে আনার সাথে সাথেই সে মারা গেছে। শিশুটিকে সান্তনা দিতে চিকিৎসকেরা আহমদের চিকিৎসা করার ভান করলেন, যাতে মোহাম্মদকে চিকিৎসা নিতে রাজি করানো যায়।
আরও দুঃখজনক খবর হলো, ইসরাইলি বোমা হামলায় বাতশ পরিবারের ১৮ জন নিহত হয়েছে। এখন মোহাম্মদই ওই পরিবারের একমাত্র জীবিত সদস্য।
গালফ নিউজকে দেয়া এক সাক্ষাতকারে গাজা উপত্যাকার ইমার্জেন্সি মেডিক্যাল সার্ভিসের প্রধান ডা. বাশার মুরাদ বলেন, গাজায় বসবাসকারী ফিলিস্তিনিদের মনোস্তাত্ত্বিক ক্ষতি হয়েছে ভয়াবহ।
তিনি বলেন, ‘গাজায় যা ঘটছে, তা নিশ্চিতভাবেই হলুকাস্ট। ফিলিস্তিনি শিশুরা ২৪ ঘণ্টা আতঙ্কে থাকে। তারা বিস্ফোরণের শব্দে জেগে ওঠে। অনেককে সারা জীবন মানসিক সমস্যায় কাটাতে হতে পারে।’
ঢাকা, ১৫ জুলাই (টাইমনিউজবিডি.কম) // জেআই





