ভারত তার দেশে বহিরাগতের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান সীমান্তে রাডার ও সেন্সর বসানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সীমান্তের এমন কিছু এলাকা রয়েছে, যেখানে কাঁটাতার বসানো সম্ভব নয়। সেখানেই এই প্রযুক্তিগত নজরদারি চালু করতে চলেছে ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়।
জম্মু-কাশ্মীরে নিয়ন্ত্রণরেখার বেশ কিছু অঞ্চল এতো দুর্গম যে সেখানে শুধুমাত্র সেনা মোতায়েন করে নজরদারি সম্ভব নয়। সেই লক্ষ্যে ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কিরেন রিজিজু জানিয়েছেন জম্মু-কাশ্মীরে ভারত-পাক নিয়ন্ত্রণ রেখা তো বটেই, পশ্চিমবঙ্গে সুন্দরবন, গুজরাটে কচ্ছের রণ এবং ত্রিপুরার কিছু এলাকাতেও এই ব্যবস্থা চালু হতে চলেছে।উল্লেখ্য যে, গুজরাটের কচ্ছের রণেও ভারত-পাক সীমান্তে কোনও বেড়া নেই।
একই অবস্থা পশ্চিমবঙ্গের সুন্দরবনেও। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত পশ্চিমবঙ্গের অধিকাংশ এলাকাতেই সুস্পষ্টভাবে চিহ্নিত হলেও, সুন্দরবনের মধ্যে সীমান্ত কোথায় বিলীন হয়েছে স্পষ্ট নয়। পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণাংশে ভারত এবং বাংলাদেশ পরস্পরের সঙ্গে সুন্দরবনের মধ্যে যেন মিশে রয়েছে। এই ম্যানগ্রোভ অরণ্যের গভীরতম এলাকাতেই দু’দেশের সীমান্ত। সেই অঞ্চলের ভূপ্রকৃতি ও পরিবেশ এমনই এবং তা এতই দুর্গম যে কোনওভাবেই সেখানে কাঁটাতার বসানো সম্ভব নয়।
এছাড়াও স্যার ক্রিক নামে একটি সামুদ্রিক প্রণালী ভারত এবং পাকিস্তানের সীমা চিহ্নিত করেছে। আরব সাগরের সঙ্গে যুক্ত এই ৯৬ কিলোমিটার দীর্ঘ প্রণালী সীমান্ত হিসেবে স্বীকৃত হলেও তার কাছে কোনও স্থায়ী বেড়া দেওয়া কঠিন। রণের দুর্গম এলাকায় অবস্থিত স্যার ক্রিকে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর নজরদারিও কঠিন।
কিরেন রিজিজু জানিয়েছেন, ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রাণালয় এই সব সীমান্ত আর অরক্ষিত রাখতে চায় না। দুর্গম সীমান্তগুলো অরক্ষিত থাকার সুযোগ নিয়ে জঙ্গিরা ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করছে। এ কারণেই এসব সীমান্ত পাহারা দেওয়ার জন্য প্রযুক্তির ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
ভারত চাইছে সবার আগে জম্মু-কাশ্মীরের নিয়ন্ত্রণ রেখার বেশ কিছু এলাকায় এই ব্যবস্থা চালু করতে। নিয়ন্ত্রণ রেখায় রাডার, সেন্সর, ক্যামেরা বসাতে এবং কম্যান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল ব্যবস্থা গড়ে তুলতে ১০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কিরেন রিজিজু।
এমআইএস।
ভারতের রাডার পরিকল্পনা,কেন্দ্রস্থল বাংলাদেশ ও পাকিস্তান সীমান্ত
ভারত তার দেশে বহিরাগতের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান সীমান্তে রাডার ও সেন্সর বসানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সীমান্তের এমন কিছু এলাকা রয়েছে, যেখানে কাঁটাতার বসানো সম্ভব নয়। সেখানেই এই প্রযুক্তিগত নজরদারি চালু করতে চলেছে ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়।
পাকিস্তান-সৌদি-তুরস্কের সঙ্গে ইরানের বৈঠক শুরু
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত বন্ধে কূটনৈতিক সমাধানের পথ খুঁজতে ইরানের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধিরা। সোমবার (২৬ অক্টোবর) ইরানের রাজধানী তেহরানে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা’ জোটের তিন সদস্যদেশের প্রতিনিধিরা এতে অংশ নিয়েছেন।
সৌদি-তুরস্ক-পাকিস্তানের সঙ্গে বৈঠকে বসছে ইরান
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত প্রশমিত করা, আঞ্চলিক নিরাপত্তা জোরদার এবং কূটনৈতিক সমাধানের পথ খুঁজতে ‘মক্কা জোটের’ তিন সদস্য- সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের সঙ্গে বৈঠকে বসছে ইরান।
ক্ষুধা মোকাবিলায় ভারত পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ
ক্ষুধা ও অপুষ্টি মোকাবিলায় দক্ষিণ এশিয়ার প্রতিবেশী ভারত ও পাকিস্তানের তুলনায় ভালো অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। নারীদের কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, স্বাস্থ্যসেবার বিস্তার, পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং মেয়েদের শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণকে বাংলাদেশের এই অগ্রগতির গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। বিপরীতে, খাদ্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি, শিশুদের অপুষ্টি, সীমিত কর্মসংস্থান এবং জলবায়ুজনিত দুর্যোগ পাকিস্তানের ক্ষুধা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।
তুরস্ক-পাকিস্তান-কাতার ও ইন্দোনেশিয়ার মধ্যে প্রতিরক্ষা চুক্তি সই
প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়ানো এবং সামরিক সক্ষমতা শক্তিশালী করতে চুক্তি সই করেছে তুরস্ক, পাকিস্তান, কাতার ও ইন্দোনেশিয়া। দেশগুলোর মধ্যে সামরিক মহড়া, প্রশিক্ষণ এবং প্রতিরক্ষা শিল্পের উন্নয়নে যৌথ সহযোগিতার পথ আরও সুগম করাই এ চুক্তির লক্ষ্য।
পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য জরুরি: মার্কো রুবিও
মতপার্থক্য থাকলেও পাকিস্তানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। তিনি বলেন, পাকিস্তানের পারমাণবিক অস্ত্র এবং কৌশলগত ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে দেশটির সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রাখা ওয়াশিংটনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
















