বিভিন্ন ইস্যুতে হিন্দুত্ববাদীদের মুখোশ যখন খসে পড়ছে তখন ‘মুসলিম মিরর’ প্রদত্ত একটি পরিসংখ্যানে দেশজুড়ে শোরগোল পড়ে গেছে।
পরিসংখ্যানটিতে প্রকাশ, দেশের ২৪টি হাইকোর্টের ৬০১ জন বিচারপতির মধ্যে মাত্র ২৬ জন মুসলিম। অথচ জনসংখ্যার আনুপাতিক হারে এ সংখ্যাটি ৮৫ হওয়া উচিত ছিল। (২০১১ সালের আদমসুমারি অনুযায়ী ভারতে মুসলিম জনসংখ্যা ১৪.২ %।)
সবচেয়ে বৈপরীত্য দেখা গেছে উত্তর প্রদেশে। সেখানে মোট জনসংখ্যার ১৯.৩% মুসলিম। সেই হিসাবে এলাহাবাদ উচ্চ আদালতে ৭৪ জন সিটিং জজের মধ্যে ১৫ জন মুসলিম হওয়ার কথা।
কিন্তু সেখানে সংখ্যাটি ৩। কেরালায় ৩৫ জন বিচারপতির মধ্যে জনসংখ্যা অনুসারে ৯ জন মুসলিম হওয়ার কথা। অথচ সেখানে মাত্র ৫ জন। এমনকি হায়দারাবাদ হাইকোর্টেও ২৯ জনের মধ্যে মাত্র ১ জন মুসলিম।এ বিষয়ে মাঝে-মধ্যেই খবর প্রকাশিত হয়েছে গণমাধ্যমে।

এমনকি জম্মু-কাশ্মীর হাইকোর্টেও ১০ জন বিচারপতির মধ্যে মাত্র ৩ জন মুসলিম। কলকাতা হাইকোর্টের ৪২ জনের মধ্যে আনুপাতিক হারে ১১ জন মুসলিম বিচারপতি হওয়ার কথা কিন্তু সেখানে মাত্র ২ জন মুসলিমঃ শহীদুল্লাহ মুনশি ও মুহাম্মদ মুমতাজ খান।
সুপ্রীম কোর্টে ২৭ জন বিচারপতির মধ্যে রয়েছে মাত্র ২ জন মুসলিমঃ ফকির মহাম্মদ ইব্রাহিম কলিফুল্লা এবং এম ওয়াই ইকবাল।
আরও একটি আশ্চর্যজনক তথ্য হল, এখনও পর্যন্ত সুপ্রীম কোর্টে প্রধান বিচারপতি হিসাবে কাজ করেছেন চারজন মুসলিমঃ মহম্মাদ হেদায়াতুল্লাহ, মির্জা হামিদুল্লাহ বেগ, আযীয মুশাব্বর আহমাদি ও আলতামাস কবীর।
অথচ দেশের তুলনায় পশ্চিমবঙ্গে দ্বিগুণ হারে মুসলিম থাকলেও (২৮.২%) একজনও মুসলিম কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি হতে পারেননি।

(Source: Two Circles.net, The Siasat Daily)





