আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের সদস্য হবার জন্য ফিলিস্তিনের আবেদনে সমর্থন দেবার আনুষ্ঠানিক অঙ্গীকার করেছে হামাস, যার মাধ্যমে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ তদন্তের পথ খুলে যেতে পারে।
এদিকে গাজায় যুদ্ধবিরতির আলোচনা অবিলম্বে আবার শুরু করে সেখানে রক্তপাত ও প্রাণহানি ঠেকানোর আহ্বান জানিয়েছেন ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস ।

কায়রোতে মিশরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল সিসির সাথে এক বৈঠকের পর আব্বাস এ আহ্বান জানান।

এর কিছু পরই মিশরও - ইসরায়েল ও হামাস - এই উভয় পক্ষের প্রতিই পরোক্ষ আলোচনা আবার শুরুর আহ্বান জানায়।

আজ শনিবারও গাজায় ইসরায়েলি বিমান হামলায় দুটি শিশুসহ একই পরিবারের পাঁচজন নিহত হন।

কায়রোতে মিশরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল সিসির সঙ্গে এক বৈঠকের পর ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস বলেন, "এই মূহুর্তে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে রক্তপাত বন্ধ করা এবং যা থেকে এই রক্তপাতের সূচনা হচ্ছে তা বন্ধ করা।"

তিনি বলেন, "এই লড়াইটা বন্ধ হলেই গাজায় জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে মানবিক ত্রাণ তৎপরতা শুরু হতে পারে। এরপর ফিলিস্তিনি আর ইসরায়েলিদের মধ্যে আলোচনার টেবিলে আলোচনা শুরু হতে পারে।"

এদিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত বা আইসিসতে যোগ দেয়ার যে ফিলিস্তিনি উদ্যোগ নেয়া হয়েছে, হামাস তা সমর্থন করবে বলে অঙ্গীকার করেছে। ঊর্ধ্বতন হামাস কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন যে আইসিসিতে যোগ দেয়ার এক প্রস্তাব সমর্থনের অঙ্গীকারে তারা সই করেছেন।

যদি এ খবর সত্য হয়ে থাকে, আইসিসিতে যোগ দেয়ার প্রশ্নে সব ফিলিস্তিনি গোষ্ঠীর মধ্যে ঐকমত্যে প্রতিষ্ঠা হয়েছে বলে ধরে নেয়া যেতে পারে।

ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস এর আগে বলেছিলেন যে আইসিসিতে যোগ দেয়ার আবেদন করার আগে তিনি এ ব্যাপারে সবার পূর্ণ সমর্থন চান।

সংবাদদাতারা জানান, ফিলিস্তিনিরা আইসিসিতে যোগ দেয়ার আবেদন করলে তা ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্র, উভয়কেই ক্ষুব্ধ করবে। এই দু্টি দেশের কোনটিই আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের সদস্য নয়। সূত্র: বিবিসি বাংলা

ঢাকা, ২৩ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, এসএমএ