কৌশলগতভাবে ব্যাপক পরিবর্তন আনা হয়েছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীতে। এরই অংশ হিসেবে সেনাবাহিনীতে নারী সেনার সংখ্যা বাড়ানো হচ্ছে। সেচ্চায় নারীরা এই পেশা বেছে নিচ্ছে। এতে কাউকে জোর করা হচ্ছে বলে জানায় ইসরাইলি সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে।
তাদের ভাষ্যমতে ‘সেনাবাহিনীর এই ইউনিটকে বেছে নেওয়ার জন্য আমাদের কোনো আফসোস নেই। আমরা লড়াকু ইউনিটে যোগ দিতে চাই।’ ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, চার বছর আগেও কমব্যাট ইউনিটে মাত্র তিন শতাংশ নারী সেনা ছিল। বর্তমানে এ ইউনিটে নারী সেনার সংখ্যা বেড়ে সাত শতাংশে দাঁড়িয়েছে। আগামী বছর এই সংখ্যা বেড়ে ৯.৫ এ দাঁড়াবে বলে আশা করছে তারা। পরিবর্তিত প্রেক্ষাপট ও প্রয়োজনীয় সংখ্যক সেনার অভাব-মূলত এ দু কারণেই কমব্যাট ইউনিটে নারীর সেনার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে।
যেসব মেয়েরা স্বেচ্ছায় সেনাবাহিনীতে যোগ দিচ্ছে তারা জানিয়েছে, পুরুষেরা যা পারে নারীরাও তা করতে পারে। আর প্রতিষ্ঠান হিসেবে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর অবস্থান বেশ দৃঢ়। কারণ সব ইহুদিই দেশের হয়ে লড়তে চায়। বিশেষ করে ফিলিস্তিনের বিপক্ষে।
১৯৪৮ সালে ইসরায়েল প্রতিষ্ঠিত হওয়ার আগে থেকেই নারীরা বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। বর্তমানে সেই নারীরা আরো বেশি শক্তিশালী। ইসরায়েলি ১৮ বছরের ছেলেরা সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে পারে। তারা আড়াই বছরের জন্য সেনাবাহিনী যোগ দেয়। আর মেয়েরা দুই বছরের জন্য সেনাবাহিনীতে চাকরি করে।
এর আগে যুদ্ধক্ষেত্রে নারীরা রেডিও অপারেটর বা সেবিকার দায়িত্ব পালন করতো। সেই পরিস্থিতি এখন দ্রæত পাল্টে যাচ্ছে।
২০০০ সালে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীতে নারী ও পুরুষের অংশ গ্রহণে ‘ক্যারাকাল ব্যাটালিয়ান’ নামে প্রথম যৌথ ইউনিট গড়ে তোলা হয়। ইসরায়েলে একটি সংশোধিত আইনে বলা হয়, ‘পুরুষদের মতো যেকোনো স্থানে যেকোনো কাজ করার সমান অধিকার পাবেন নারীরা।’
আগামী বছরে ইসরায়েলি বাহিনী চতুর্থ ব্যাটালিয়ান করার পরিকল্পনা করছে। আর দিন যতই গড়াচ্ছে সেনাবাহিনী নারীদের যোগ দেওয়ার ইচ্ছা আরো বাড়ছে।
স্মাদারের কথা অনুযায়ী, ‘একজন পুরুষ যা করতে পারে একজন নারীও তা পারে। তবে কেন আমরা পিছিয়ে থাকবো।
সূত্র: বিবিসি
জেড





