তুরুস্কে সংবিধান পরিবর্তন করতে গণভোটের পক্ষে এক বিশাল সমাবেশের আয়োজন করে একে পাটি। তুরস্কের সাংবিধানিক পরিবর্তন নিয়ে ঐতিহাসিক গণভোটের এক সপ্তাহেরও কম সময় বাকি আছে। গণভোটকে সামনে রেখে তুমুল প্রচারণা চালাচ্ছে পক্ষে-বিপক্ষের দলগুলো।
রবিবার বিকালে এজিয়েন প্রদেশের ইজমিরে এক বিশাল সমাবেশে ‘হ্যাঁ’ ভোটের জন্য প্রচারণা চালান দেশটির প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগান।
তুরস্ক তৃতীয় বৃহত্তম প্রদেশ সেন্ট্রাল ‘গানডোডু’ স্কয়ারে জনসমুদ্রে এরদোগান বলেন, ‘তুরস্কের জন্য আগামী ১৬ এপ্রিল হবে একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক ।
বিশাল জনতার কাছে তিনি জানতে চান, ‘একটি মহান, শক্তিশালী, সমৃদ্ধ ও স্থিতিশীল তুরস্কের জন্য আপনারা ১৬ এপ্রিল হ্যাঁ বলবেন কি?
এসময় উপস্থিত জনতা বিপুল উৎসাহ নিয়ে চিৎকার করে তাকে জানিয়ে দেয় ‘হ্যাঁ’!
প্রধান বিরোধী দল রিপাবলিকান পিপলস পার্টির দাবি এই পরিবর্তনের মাধ্যমে দেশ এক ব্যক্তির অধীনে চলে যাবে।
এরদোগান এই দাবিকে প্রত্যাখ্যাত করে বলেন, ‘দলটির নেতা কামাল কিলিকদারোগলোর উচিত তাদের নিজেদের অতীত ইতিহাস ফিরে দেখা।’
অন্য আরেকটি পরিবর্তন হচ্ছে, সংসদীয় আসনের প্রার্থীদের জন্য ন্যূনতম বয়স ১৮ হতে হবে। এরদোগান যুক্তিখণ্ডন করে বলেন, এসব তরুণদের বাধ্যতামূলক সামরিক সেবা থেকে অব্যাহতি দেয়া হবে।
তিনি বলেন, ‘সেনাবাহিনীতে সেবা দেয়া অবশ্যই একটি পবিত্র কর্ম কিন্তু ‘ডেপুটি’ হিসেবে সেবা দেয়া সাধারণ কিছু নয়।’ বিষয়টি নিয়ে একটি উপায় খুঁজে বের করা হবে বলে তিনি জানান।
তিনি বলেন, ‘এর মাধ্যমে আমাদের তরুণরা পার্লামেন্টে তাদের জায়গা করে নিতে পারবে।’
সূত্র: আনাদুলো এজেন্সি
টাইমনিউজবিডি.নেট/মাহমুদ





