উত্তর ওয়াজিরিস্তানে বিদ্রোহীদের দমনে দীর্ঘমেয়াদি অভিযান পরিচালনার পর এবার শাওয়াল উপত্যকায় অভিযান চালাবে পাকিস্তানী সেনাবাহিনী। দেশটির সরকারের বেশ কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এ তথ্য জানিয়েছেন। খবর ডননিউজের।

চলতি সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনস্থ পাকিস্তানী দূতাবাসে পাকিস্তানী-আমেরিকান সম্প্রদায়ের আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে জনসম্মুখে ওই কর্মকর্তারা এ কথা জানান।

কর্মকর্তারা জানান, সমঝোতার সব ধরনের প্রচেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর সরকার ওয়াজিরিস্তানে জার্ব-ই-আজব নামে সামরিক অভিযান চালায়। এর আগে সরকার সব রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করে।

তারা বলেন, বিদ্রোহীরা আলোচনার বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে না নেওয়ায় ও সহিংসতা অব্যাহত রাখায় সরকার ওই অভিযান পরিচালনায় বাধ্য হয়।

তারা আরও বলেন, দুঃখজনক হলেও বিষয়টির সমাধান ও রাজ্যে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে সরকার ওই অভিযান চালায়।

ওই অভিযানে সেনাবাহিনীর পাশাপাশি দেশটির পুলিশ, সীমান্তরক্ষী, আইবি ও আইএসআই’র সদস্যরা অংশ নেয় বলে জানান তারা।

তারা বলেন, উত্তর ওয়াজিরিস্তানে অভিযান চালানোর পর সেখান থেকে অনেক বিদ্রোহী সম্ভাব্য চারটি অঞ্চলে পালিয়েছে। সেগুলো হলো- ওই এলাকার মধ্যেই কেউ কেউ লুকিয়ে আছে, অন্য উপজাতীয় অঞ্চলগুলোতে চলে গেছে, দেশের গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলোতে চলে গেছে অথবা আফগানিস্তানে পালিয়ে গেছে।

তারা জানান, অব্যাহত সেনা হামলায় অনেক বিদ্রোহীই শাওয়াল উপত্যকায় পালিয়ে গেছে। তাই সেখানে তাদের গোপন অবস্থান ধ্বংসে চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই অভিযান পরিচালনা করা হবে।

এ সময় আগের অভিযানে সামরিক বাহিনীর ওপর হক্কানি নেটওয়ার্কসহ বেশ কয়েকটি বিদ্রোহী সংগঠনের সদস্যদের লক্ষ্য করে হামলা না চালানোর নির্দেশ ছিল বলে ওঠা অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেন তারা।

তারা বলেন, হক্কানি নেটওয়ার্ক, পাঞ্জাবি তালেবানসহ সকল বিদ্রোহী সংগঠনের সদস্যদের লক্ষ্য করে হামলা চালান হয়।

 

ইআর