উত্তর কোরীয় নেতা কিম জং উন বলেছেন উত্তর কোরিয়াকে সন্ত্রাসী রাষ্ট্রের তালিকায় রাখলে যুক্তরাষ্ট্রের ভয়ানক পরিণতি হবে এবং এর জন্য ভয়ানক মূল্য দিতে হবে তাদের। মালয়েশিয়ায় কিম জং উনের সত্ ভাই কিম জং ন্যাম নিহতে তাদেরকে দোষারোপ করার প্রসঙ্গে শনিবার তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন। এতে বলা হয়, এ হত্যা ষড়যন্ত্রে তাদেরকে জড়ানো হচ্ছে যা দুইদেশের সম্পর্কে অবশ্যই ভালো ফলাফল বয়ে আনবে না।
গত মাসে মালয়েশীয় বিমানবন্দরে কিম জং ন্যামকে (৪৫) ভি এক্স নার্ভ এজেন্ট প্রয়োগের মাধ্যমে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ উঠে। এতে সন্দেহ উত্তর কোরিয়ার দিকে প্রশমিত হয়। এর কারণ হিসাবে অভিযোগ উঠেছে, ন্যামকে হত্যার মাধ্যমে কিম জং উন তার গদিকে সক্রিয় করতে চাচ্ছেন। এসব ব্যাপার নিয়ে উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে যখন মালয়েশিয়ার সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে তখন এর মদদদাতা হিসাবে যুক্তরাষ্ট্রকে দূষছে পিয়ংইয়ং। আর এ কারণেই যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করলেন কিম জং উন।
দক্ষিণ কোরিয়া এবং জাপানের সংবাদ মাধ্যমগুলো তাদের কূটনীতিকদের বরাত দিয়ে বলেছে, ইরান এবং সিরিয়ার মতো উত্তর কোরিয়াকেও সন্ত্রাসী রাষ্ট্রের তালিকায় স্থান দেওয়া হচ্ছে। উত্তর কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রাষ্ট্রচালিত সংবাদ সংস্থা কেসিএনএকে জানান, যুক্তরাষ্ট্রকে এটা গভীরভাবে উপলব্ধি করতে হবে যে তারা যদি ভিত্তিহীন এ অভিযোগে তাদেরকে দোষারোপ করে তাহলে তা মেনে নেওয়া হবে না। এর জন্য তাদেরকে অবশ্যম্ভাবী মূল্য দিতে হবে।
মুখপাত্র বলেন, তারা এই মর্মে জানাতে চান যে উত্তর কোরিয়া সবধরনের সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে। তাই যুক্তরাষ্ট্র যদি তাদের সুনাম নষ্ট করতে চায় তাহলে বরদাশত করা হবে না। এদিকে কিম জং ন্যাম হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙুল তুলেছে দক্ষিণ কোরিয়াও। তারা বলছেন, নির্বাসনে থাকা কিম জং উনের সত্ ভাই কিম জং ন্যামকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। কেননা উন ন্যামকে তাদের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বলে মনে করেন।
এনডিটিভি, রয়টার্স





