ইউএন-এসকাপ এক্সিকিউটিভ সেক্রেটারি সামসাদ আক্তার বলেছেন, ব্লু ইকোনমিক কাজে লাগাতে বাংলাদেশ সঠিক পথে এগিয়ে যাচ্ছে এবং বাংলাদেশে যে কৌশলসমূহ বাস্তবায়িত হচ্ছে- অন্যান্য দেশকে এ ক্ষেত্রে অবহিত হতে হবে।

নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদরদপ্তরে বুধবার ৮ জুলাই ‘আউটকামস অব রিজিওনাল কনসালটেশন অন সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট (এসডি) অ্যান্ড দি পোস্ট-২০১৫ ডেভেলপমেন্ট এজেন্ডা ইন এশিয়া অ্যান্ড দি প্যাসিফিক’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

আজ এখানে প্রাপ্ত জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থানীয় মিশনের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।

টেকসই উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং সমাজ ও পরিবেশগত বিষয় সমন্বয়ে এসকাপের বিভিন্ন আঞ্চলিক বৈঠক ও পরামর্শ সভার ফলাফল তুলে ধরতে ব্যাংককভিত্তিক ইউএন-এসকাপ এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশসহ এসকাপের অন্যান্য সদস্য দেশের প্রতিনিধিগণ অংশ নেন।

সামসাদ আক্তার গোটা অঞ্চলের টেকসই উন্নয়ন (এসডি) বিষয়ক আঞ্চলিক শলা-পরামর্শের সার্বিক চিত্র তুলে ধরেন।

তিনি আঞ্চলিক টেকসই উন্নয়ন এজেন্ডা (এসডিএ) বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন।

জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ড. একে আবদুল মোমেন ব্লু ইকোনমির কথা তুলে ধরে বলেন, বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের ৩৩৪ মিলিয়ন বর্গকিলোমিটার সমুদ্রসীমা রয়েছে। যা এসডিএ বাস্তবায়নে বিশেষ মনোযোগ দাবি করে।

তিনি বলেন, বঙ্গোপসাগরে সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তি হওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই সমুদ্র এলাকাকে টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়নের কেন্দ্রে পরিণত করার ঘোষণা দিয়েছেন।

এর আগে এসকাপ এক্সিকিউটিভ সেক্রেটারি জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী প্রতিনিধির সঙ্গে তার অফিসে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

এমকে