তালেবান শাসনে আফগানিস্তান গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হবে না একথা রয়টার্স সংবাদ সংস্থাকে বলেছেন তালেবানের একজন ঊর্ধ্বতন সদস্য। তিনি আরও বলেন, “আফগানিস্তান চলবে শরিয়া আইনে। সেটাই শেষ কথা।” খবর বিবিসি’র।
তালেবানের সিদ্ধান্ত প্রণয়নকারীদের ঘনিষ্ঠ এই তালেবান সদস্য ওয়াহিদুল্লাহ হাশিমি বলেছেন: “এখানে কোনরকম গণতান্ত্রিক পদ্ধতি থাকবে না, কারণ আমাদের দেশে এর কোন ভিত নেই।
“আফগানিস্তানে কী ধরনের রাজনৈতিক শাসনব্যবস্থা থাকবে এ নিয়ে আমরা আলোচনা করব না। কারণ এটা পরিষ্কার। আফগানিস্তান চলবে শরিয়া আইনে। সেটাই শেষ কথা।”
তালেবোনের সুপ্রিম নেতা হিবাতুল্লাহ আকুন্দযাদা দেশের সার্বিক দায়িত্বে থাকবেন বলে আমরা মনে করছি, বলেন ওয়াহিদুল্লাহ হাশিমি।
হেরাতের স্কুলে মেয়ে শিক্ষার্থীরা ফিরেছে
তালেবান আফগানিস্তানের দখল নেবার মাত্র চারদিনের মাথায় পশ্চিমের হেরাত শহরে মেয়েদের স্কুলে ফেরত যাবার খবর পাওয়া গেছে।
ছাত্রীদের করিডরে গল্পগুজব করতে দেখা গেছে বলে জানাচ্ছে বার্তা সংস্থা এএফপি। তালেবান ক্ষমতা দখলের পর এই দৃশ্য আর দেখা যাবে না বলেই অনেকে আশংকা করছিলেন।
তালেবান ১৯৯০এর দশকে যখন আফগানিস্তান নিয়ন্ত্রণ করে, তখন নারী ও অল্পবয়সী মেয়েদের পড়াশোনা ও চাকরির সুযোগ ছিল না।
জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ-এর মাঠ পর্যায়ের প্রধান মুস্তাফা বেন মেসাউদ তালেবানের সাথে কাজ করার অভিজ্ঞতার আলোকে সতর্কতার সাথে হলেও কিছুটা আশাবাদ দেখিয়েছেন। তিনি বলেছেন তালেবান প্রাথমিকভাবে হলেও মেয়েদের শিক্ষার ব্যাপারে সমর্থন দেখিয়েছে।
তিনি বলেছেন তাদের সাথে যে কথাবার্তা হয়েছে তাতে এই আশা তৈরি হয়েছে।
তবে সবাই তালেবানের এই আশ্বাসে বিশ্বাস রাখতে পারছে না।
এমবি





