ইখওয়ানুল মুসলিমিনকে সমর্থন করা এবং এ সংগঠনের নেতাদেরকে নিরাপদ আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগে কাতারের সঙ্গে যে মতপার্থক্য তৈরী হয়েছে তা দূর করার প্রচেষ্টা চালাতে কুয়েতের মধ্যস্থতায় বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছে।
বৈঠকে যোগ দিতে কুয়েতের আমির শেখ সাবাহ আল-আহমাদ আল-সাবাহ এবং কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আস-সানি রোববার সন্ধ্যায় রিয়াদ পৌঁছেছেন বলে সৌদি সংবাদ মাধ্যম খবর দিয়েছে।
কুয়েতের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা কুনা-ও খবর দিয়েছে যে, দেশটির আমির পিজিসির বৈঠকে যোগ দিতে সৌদি আরব গেছেন।
এছাড়া, বাহরাইনের রাজা হামাদ বিন ঈসা আলে খলিফা ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের ভাইস প্রেসিডেন্ট শেখ মুহাম্মাদ বিন রাশিদ আল-মাকতুমও রিয়াদ বৈঠকে যোগ দিবেন।
কোনো রকমের পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই বৈঠকে বসেছেন পারস্য উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদ বা পিজিসিভুক্ত দেশগুলোর নেতারা।সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে এ বৈঠক বসেছে।
আগামী ৯ ও ১০ ডিসেম্বর কাতারের রাজধানী দোহায় পারস্য উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদ বা পিজিসি’র শীর্ষ সম্মেলন হওয়ার কথা রয়েছে। এর আগে অভ্যন্তরীণ মতপার্থক্য কমানোর প্রচেষ্টা হিসেবে রোববার পাঁচ দেশের নেতারা বৈঠকে বসলেন।
কাতারের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে, দেশটি ইখওয়ানুল মুসলিমিনকে সমর্থন করছে এবং নিষিদ্ধ এ সংগঠনের নেতাদেরকে নিরাপদ আশ্রয় দিচ্ছে।
এ অভিযোগে গত মার্চ মাসে সৌদি আরব, বাহরাইন ও সংযুক্ত আরব আমিরাত দোহা থেকে রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহার করে নেয়। ১৯৮১ সালে প্রতিষ্ঠা হওয়ার পর এটাই ছিল পারস্য উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের মধ্যে সবচেয়ে মারাত্মক কূটনৈতিক টানাপড়েন।
ইআর





