তুরস্কের সীমান্তরক্ষীরা আইএসআইএলের সঙ্গে খোশগল্প করছে- এমন একটি ভিডিও ইন্টারনেটে প্রকাশিত হয়েছে।

সিরিয়া-তুর্কি সীমান্তের কাছে জারোভা পাহাড়ের পাদদেশে এ ঘটনা ঘটেছে বলে আনাড়ি হাতে তোলা ভিডিওটিতে দেখা গেছে।

এ ভিডিওটি আইএস এরব্যাপারে তুরস্কের ভূমিকাকে আরেকবার প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। বর্তমানে সিরিয়া-তুর্কি সীমান্তের কুর্দি অধ্যুষিত কুবানি শহর দখলের চেষ্টা করছে আইএস।

গত কয়েক মাস ধরে তারা শহরটি অবরোধ করে রেখেছে গতমাস থেকে সেখানে হামলা শুরু করেছে। আন্তর্জাতিক সমাজের পক্ষ থেকে শহরটি রক্ষায় এগিয়ে আসার জন্য তুরস্কের প্রতি আহ্বান জানানো হলেও আঙ্কারা এ ব্যাপারে নীরব রয়েছে।

সদ্য প্রকাশিত ভিডিও দেখে মনে হচ্ছে, কুবানি রক্ষায় সহায়তা করার পরিবর্তে তুর্কি সেনারা বরং আইএস কে সাহায্য করছে।

গত কয়েক সপ্তাহে কুবানি শহরের অধিবাসীদের জন্য মানবিক সাহায্যের পাশাপাশি অস্ত্র ও ওষুধ পাঠানোর চেষ্টা করা হলেও তুর্কি সরকার তা প্রতিহত করেছে।

পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, আইএস এরহাতে কুবানি শহরের পতন ঘটানোর ব্যাপারে তুর্কি সরকার এরইমধ্যে ওয়াশিংটনের সবুজ সংকেত পেয়ে গেছে। মার্কিন নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক বাহিনী কুবানি অবরোধকারী আইএসআইএলের অবস্থানে বিমান হামলা চালানোর ভান করলেও তাতে আইএস পিছু হটেনি।

এদিকে, নিজের অবস্থানের পক্ষে ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে আঙ্কারা দাবি করছে, কুবানি শহরে অস্ত্র ঢুকতে দিলে তা কুর্দি বিচ্ছিন্নতাবাদী গেরিলা গোষ্ঠী পিকেকে'র হাতে চলে যেতে পারে।

১৯৮০'র দশক থেকে তুরস্কের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে স্বায়ত্বশাসিত এলাকা প্রতিষ্ঠার দাবিতে সশস্ত্র আন্দোলন করছে পিকেকে।

কুবানির কুর্দি ও আইএসদু'পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে এ পর্যন্ত অন্তত ৮০০ মানুষ নিহত হয়েছে। শহর ছেড়ে দুই লাখেরও বেশি মানুষ তুরস্কে আশ্রয় নিয়েছে।রেডিও তেহরান

ইআর