জম্মু-কাশ্মির সীমান্তে পাকিস্তানি সেনাদের গুলিতে এক কর্মকর্তাসহ ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের দুই সদস্য নিহত ও তিন বেসামরিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন।
শনিবার (০২ জুন) দিবাগত রাত সোয়া একটা নাগাদ আখনূর সেক্টরে ভারত ও পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর মধ্যে গুলিবিনিময়ের সময় সহকারী উপ-পরিদর্শক এস এন যাদব এবং কনস্টেবল বি কে পাণ্ডে নিহত হয়েছেন।
ওই ঘটনায় সুলক্ষণা দেবী (২৫), বংশীলাল (৪০) এবং বলবিন্দর সিং (২২) নামে বেসামরিক মানুষজন আহত হলে তাদেরকে স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে।
গণমাধ্যমে প্রকাশ, পাকিস্তানি সেনারা যুদ্ধবিরতি ভেঙে গুলিবর্ষণ করলে ওই হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।
আজ (রোববার) সকালে পাকিস্তানি রেঞ্জার্সরা আখনূর সেক্টরে গুলিবর্ষণসহ মর্টার নিক্ষেপ করছে। ভারতীয় সেনাবাহিনীও পাল্টা গুলিবর্ষণ করে জবাব দিচ্ছে।
পাকিস্তানের পক্ষ থেকে একনাগাড়ে মর্টার হামলার ফলে সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে মানুষজনকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি সীমান্তের অরনিয়া ও আর এস পুরা সেক্টর এলাকার স্থানীয় বাসিন্দাদের সতর্ক করে দেয়া হয়েছে।
গত ২৯ মে পাকিস্তানের ‘সামরিক অপারেশন মহাপরিচালক’ (ডিজিএমও)-এর উদ্যোগে ভারত ও পাকিস্তানের ‘সামরিক অপারেশন মহাপরিচালক’ (ডিজিএমও) পর্যায়ের সংলাপে জম্মু-কাশ্মিরে সীমান্তসংঘর্ষ বন্ধ করতে ২০০৩ সালের সংঘর্ষ বিরতি চুক্তি সম্পূর্ণভাবে মেনে চলার সিদ্ধান্ত হয়েছিল।
বিশেষ হটলাইনে দু’দেশের সামরিক বাহিনীর কমান্ডাররা জম্মু-কাশ্মিরের নিয়ন্ত্রণরেখা ও আন্তর্জাতিক সীমান্তের চলমান পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেছিলেন।
যুদ্ধবিরতি মেনে চলার ওই সিদ্ধান্তকে আমেরিকা ও চীনের পক্ষ থেকে সেসময় স্বাগত জানানো হয়েছিল। কিন্তু এরপরেই পাক বাহিনী যুদ্ধবিরতি ভাঙায় দু’দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে গুলিবিনিময়ে হতাহতের ঘটনা ঘটল।
এমবি





