খবর আল জাজিরা ও এএফপির।

ইউনিভার্সিটি অব ম্যারিল্যান্ডের নতুন জরিপে দেখা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের ডেমোক্র্যাটিক পার্টির তরুণতর সমর্থকেরা জানিয়েছে যে তাদের আসন্ন নির্বাচনে বাইডেনকে ভোট দেয়ার সম্ভাবনা কম।

তারা এখন বাইডেনকে 'খুব বেশি মাত্রায় ইসরাইলপন্থী' মনে করছে। তাছাড়া যারা চায় যে 'যুক্তরাষ্ট্র ফিলিস্তিনিদের দিকে ঝুঁকে পড়ুক' তাদের সংখ্যা বেড়েছে।

অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই সমীক্ষায় দেখা যায়, অক্টোবরে যত লোক চেয়েছিল যে যুক্তরাষ্ট্রের উচিত ইসরাইলের পক্ষ নেয়া, তাদের মধ্যে এখন অনেক কম লোক ইসরাইলের পক্ষে রয়েছে। বিশেষ করে তরুণ ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে পরিবর্তনটি হয়েছে ব্যাপক মাত্রায়।

জরিপে বলা হয়, অক্টোবরে তরুণ ডেমোক্র্যাটদের মাত্র ২০.৬ ভাগ বলেছিল যে বাইডেন অত্যাধিক মাত্রায় ইসরাইলপন্থী। কিন্তু নভেম্বরে ৪১.৫ ভাগ বলছে যে বাইডেন অত্যাধিক মাত্রায় ইসরাইলপন্থী। আর অতি নগন্য সংখ্যক (০ থেকে ২.৪ ভাগ) বলছে যে বাইডেন অত্যধিক মাত্রায় ফিলিস্তিনপন্থী।

জরিপে বলা হয়, ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর ইসরাইলের প্রতি সমর্থন ব্যাপকভাবে বেড়ে গিয়েছিল। কিন্তু এখন তা দ্রুত হারে কমছে।

ইসরাইল ও হামাসের মধ্যকার যুদ্ধের এক মাস পেরিয়ে গেছে। গাজার মানবিক পরিস্থিতি ভয়াবহ থেকে আরো ভয়াবহের দিকে যাচ্ছে।

এই প্রেক্ষিতে ইন্টারন্যাশনাল কমিটি অব দ্য রেডক্রস (আইসিআরসি) মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে বেসামরিক নাগরিক বিশেষকরে শিশুদের ভয়াবহ দুর্ভোগ অবসানের আহ্বান জানিয়েছে। একইসঙ্গে সংস্থাটি এই পরিস্থিতিকে ‘নৈতিক ব্যর্থতা’ হিসেবে উল্লেখ করেছে।

রেডক্রস বলেছে, গত এক মাস ধরে গাজা ও ইসরাইলের বেসামরিক নাগরিকদের অসহ্য কষ্ট ও ক্ষতি সহ্য করতে হচ্ছে। এটি বন্ধ হওয়া প্রয়োজন।

সংস্থাটি আরো বলেছে, গাজা জুড়ে ব্যাপক বোমা হামলার কারনে বেসামরিক অবকাঠামো ধ্বংস হচ্ছে। এতে আগামী প্রজন্মের জন্যে রোপিত হচ্ছে কষ্টের বীজ।

সংস্থাটির প্রেসিডেন্ট মির্জানা স্পোলজারিক বলেছেন, হতাহত শিশুদের ছবি আমাদের তাড়িয়ে ফিরবে। এটি একটি ‘নৈতিক ব্যর্থতা।’

উল্লেখ্য, গত ৭ অক্টোবর ফিলিস্তিনের হামাস গ্রুপ ইসরাইলে আকস্মিক বড় ধরনের হামলা চালানোর পর ইসরাইল গাজায় অব্যাহত হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।